Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা কতটা?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ৩৫
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা কতটা?

২০২৬ সালের ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ (জিআরএফসি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে একটি অস্বস্তিকর ও উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরাসরি দুর্ভিক্ষ কিংবা চরম কোনো খাদ্য সংকটের মধ্য দিয়ে না গেলেও, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে। গত শুক্রবার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

Advertisement

জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটে থাকা মানুষের দুই-তৃতীয়াংশের অবস্থান করছে মাত্র ১০টি দেশে। যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে

প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট ও অপুষ্টির হার আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের যে ১০টি দেশে তীব্র ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, সে তালিকায় বাংলাদেশ স্থান পেয়েছে। এ তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, কঙ্গো, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষুধার শিকার মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৫৬ লাখ মানুষ ‘ক্রাইসিস’ (সংকট) এবং প্রায় ৪ লাখ মানুষ ‘এমার্জেন্সি’ (জরুরি) পর্যায়ে ছিল। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিসংখ্যানটি দেশের মাত্র ৫৯ শতাংশ জনসংখ্যার ওপর করা বিশ্লেষণের ফল, পুরো দেশের নয়।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে ঝুঁকির মুখে খাদ্য নিরাপত্তাfarmer

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। উচ্চ মাত্রার খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭৬ লাখ কমেছে (৩২ শতাংশ হ্রাস)। মূলত বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকা, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা হ্রাস এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবৃদ্ধির ফলে এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উন্নতি অত্যন্ত ভঙ্গুর। এমনকি একটি ‘ভালো’ বছরেও কেন ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে থাকবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের খাদ্য সমস্যাটি কেবল দুর্যোগ-নির্ভর নয়, বরং এটি একটি গভীর কাঠামোগত সমস্যা।

প্রতিবেদনে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো নিম্নবিত্ত মানুষের অপর্যাপ্ত ও অনিশ্চিত আয়ের কারণে সৃষ্ট অস্থিরতা, বাজারে খাদ্যের সরবরাহ থাকলেও তা কেনার মতো প্রয়োজনীয় ক্রয়ক্ষমতার অভাব। এছাড়া চালের বাম্পার ফলন হলেও পুষ্টির চেয়ে ফলনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব থেকে যাচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির প্রভাবে পরিবারগুলোর প্রোটিন গ্রহণ কমিয়ে সস্তা খাবারে অভ্যস্ত হওয়া, যার ফলে শিশু ও নারীরা চরম পুষ্টিহীনতার শিকার হচ্ছে।

জাতীয় পর্যায়ে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে শরণার্থী আসা, বন্যা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ায় এই এলাকাগুলোতে খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

বিশ্বে খাদ্যদ্রব্যের দাম আরও বাড়তে পারেindia

প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, অর্থায়নের ঘাটতি বা বৈদেশিক সহায়তা কমে গেলে বাংলাদেশের এই সাময়িক উন্নতি যেকোনো সময় উল্টে যেতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় যখন সংঘাত ও জলবায়ু ঝুঁকি বাড়ছে, তখন বাংলাদেশের জন্য স্থায়ী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালেও অনেক ক্ষেত্রে তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা থাকবে। চলমান সংঘাত, জলবায়ুর অনিশ্চয়তা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক দেশে এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এমনকি পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

বিশেষ করে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনো সময়সাপেক্ষ হলেও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তারের কারণে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে যেখানে লাখ লাখ মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত। অনেক মানুষ ঘরে ফিরতে চায়। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুতি আরও বাড়ছে। পাশাপাশি খাদ্যসংকটে থাকা দেশ ও অঞ্চলগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বৈশ্বিক কৃষি–খাদ্য বাজারে বিঘ্নের ঝুঁকির মুখে আছে।

বিষয়: খাদ্যখাদ্যনিরাপত্তাজাতিসংঘক্ষুধাপ্রতিবেদন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ