Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

জ্বালানি তেল উঠতে পারে ১৫০ ডলারে, বড় মূল্যস্ফীতির শঙ্কা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২: ০৭
জ্বালানি তেল উঠতে পারে ১৫০ ডলারে, বড় মূল্যস্ফীতির শঙ্কা

এভাবে যুদ্ধ চলতে থাকলে জ্বালানি তেলের উৎপাদন বন্ধ করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১৫০ ডলার ছুঁতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

Advertisement

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জেরে যুদ্ধ সাতদিনে গড়িয়েছে। ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশের মার্কিন স্থাপনা রয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের বিষয় তো আছেই। ফলে এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজার ব্যবস্থায়।

এর প্রভাব সবার আগে পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে। এরই মধ্যে গত ২২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম। এরই মধ্যে ভবিষ্যৎ সরবরাহের চুক্তিতে (ফিউচার) ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমেডিয়েট (ডব্লিউটিআই) গ্রেডের জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ৮৪ ডলার ১৩ সেন্টে পৌঁছেছে। আর ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৭ ডলার ১৭ সেন্টে পৌঁছেছে। গত এক সপ্তাহে এই দুই গ্রেডের তেলের দাম ফিউচার মার্কেটে যথাক্রমে ২৫ ও ১৯ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্টসেট।

সর্বশেষ ২০২২ সালে ইউক্রেনে রুশ অভিযানের সময় এ ধরনের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছিল জ্বালানি তেলের বাজারে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল–কাবি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এ যুদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে জ্বালানি তেল সরবরাহ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করতে বাধ্য করতে পারে। আর এমন হলে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। বিশ্বের প্রায় সব দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। সূচক রয়েছে নিম্নমুখী। অর্থাৎ, যুদ্ধের প্রভাবে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তাতে শেয়ারবাজার থেকে সরে যাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনায় বিনিয়োগ করছে সবাই। এতে সোনার বাজারে উর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রবল হয়ে উঠেছে।

জ্বালানি তেলে রেশনিং কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে?car-fuel-oil-price

এ রকম পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মুদ্রাবাজারেও। কারণ, সোনাসহ নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝোঁক বাড়ে। জ্বালানি তেলসহ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তির দরের পালে হাওয়া লাগায় পণ্যবাজার অস্থির হয়ে ওঠে। এমন অবস্থায় সরকারি বন্ড থেকে শুরু করে পুঁজিবাজার অস্থির হয়। মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়েই এই জায়গাগুলো থেকে তাদের বিনিয়োগ সরাতে থাকে। ফলে বৈশ্বিক মুদ্রা হিসেবে ডলারের দামে পড়ে নেতিবাচক প্রভাব, যা আঞ্চলিক মুদ্রাগুলোরও অবনমন ঘটায়। সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এই পরিস্থিতিতে সুদহার বাড়িয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা পুনস্থাপন ও মুদ্রার মান ঠিক রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু যুদ্ধ এমন এক বিষয়, যা সব স্তরকেই অস্থির করে দেয়। জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে ধাতুর বাজার–সবই অস্থির হয়ে ওঠে এ সময়। ফলে শুধু সুদহার বাড়িয়েই মুদ্রা, পুঁজিবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরানো কঠিন হয়ে পড়ে।

এ ধরনের প্রবণতা একই সঙ্গে সার্বিক বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একদিকে জ্বালানির দামে ঊর্ধ্বগতি উৎপাদন খাতের ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে অর্থনৈতিক অস্থিরতা ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি গ্রহণে দ্বিধায় ফেলে। এ দুইয়ের সরাসরি প্রভাব পড়ে কর্মসংস্থানের ওপর। ফলে এ ধরনের যুদ্ধ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির দীর্ঘসূত্রিতা দেশে দেশে বেকারত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে।

এরই মধ্যে এর প্রভাব দেখা গেছে বাংলাদেশে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন গাড়ির ভিড় দেখা গেছে। এসব পরিবহনের চালক ও মালিকরা সম্ভাব্য সর্বোচ্চ পরিমাণ তেল কেনার চেষ্টা করেছে। যদিও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বলছে, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে তেল দেশে আসছে।

কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শুক্রবার বিপিসি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে ফিলিং স্টেশনগুলোকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে তেল বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার এবং এসইউভি, জিপ বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে। এ ছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কন্টেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল দেওয়া যাবে।

জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি বিপিসিরcar-fuel-oil-price

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর কারণে ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। অনেক গ্রাহক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। এমনকি কিছু ডিলার ও ফিলিং স্টেশন থেকেও প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের খবর পাওয়া গেছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।

আগেই বলা হয়েছে, এরই মধ্যে যুদ্ধের প্রভাবে পুঁজিবাজার, জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। আর জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি চিন্তিত করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও। ফলে তিনি তেলের দামের এই ধারায় ব্রেক কষার কথা বলেছিলেন। কিন্তু কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী যা বললেন, তাতে এই ব্রেক কাজ করছে না, বা অদূর ভবিষ্যতে কাজ করবে বলেও মনে হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রও বিষয়টি বুঝতে পারছে। বুঝতে পারছে বলেই দেশটি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড় দিয়েছে ভারতকে।

এই ছাড় সম্পর্কে ফেড প্রধান স্কট বেসেন্ট বলেছেন, জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা প্রশমনের লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ফলে এটা স্পষ্ট যে, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি আসলে কী? একদিকে জ্বালানি তেল ও সোনার দরবৃদ্ধি, অন্যদিকে পুঁজিবাজারে ধ্বস–দুই মিলিয়ে মূল্যস্ফীতি চরম মাত্রায় পৌঁছাতে পারে। বিপুল জ্বালানি তেলের মজুতসমৃদ্ধ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পেট্রোলপাম্পগুলোতেই এর প্রভাব পড়েছে। পড়ছে বাজারেও। ফলে আপাতত বাংলাদেশের বাজার ও জ্বালানি মজুত স্থিতিশীল থাকলেও সামনে কী হবে, তা নিয়ে জোর শঙ্কা রয়েছে। কারণ, বিপিসির তথ্য বলছে, দেশের জ্বালানি চাহিদার ৯৫ শতাংশই আমদানিনির্ভর।

ফলে হরমুজসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুটগুলো একের পর এক বন্ধ হতে থাকলে বা এসব রুট দিয়ে বাণিজ্য জাহাজের চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে দেশের বাজারে। বিশেষত, এ যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হবে, ততই বাজার পরিস্থিতি বাজে হতে থাকবে। আর মনে রাখা জরুরি যে, বিশ্বে কিন্তু যুদ্ধ এখন একাধিক। ইরানে যেমন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে তেমন, আর ইউক্রেন যুদ্ধ তো আছেই। ফলে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি ক্রমে খারাপ দিকে যাওয়ার আশঙ্কাই প্রবল।

বিষয়: রাশিয়াজ্বালানি তেলডলারইরানমধ্যপ্রাচ্যইউক্রেনতেলযুদ্ধমূল্যস্ফীতিশেয়ারবাজার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ