
কিছু সময়ের জন্য কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করা গেলেও সব সময়ে সব মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না। ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য, তাকে তা দিতে হবে। এ কথা যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তেমনি প্রযোজ্য জিয়াউর রহমানসহ অন্য নেতাদের জন্যও।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হঠাৎ করেই কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তার একটি দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি ছিল। তিনি ছিলেন শুধুমাত্র অপেক্ষায়।

মুক্তিযুদ্ধের এক বীর সেনানি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ২৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে তিনি বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিলেন গণহত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ বাঙালিকে বিলীন করে দিতে পারেনি। বাঙালি বরং আরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ স্বাধীনতা আদায়ের জন্য। নিজেদের

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, “আজ তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছে দেওয়া তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।”

ঈদুল ফিতরের দিনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বাবা-মার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শামা ওবায়েদ বলেন, জিয়াউর রহমান অনেক আগে থেকেই বুঝেছিলেন দেশের উন্নয়নের জন্য কৃষকদের ভালো রাখা জরুরি। সেই চিন্তা থেকেই তিনি খাল খনন কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতায় কৃষি উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি।

সাহাবুদ্দিন বলেছেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারীবিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন।

আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন না বিদায়ী সংসদের স্পিকার। স্পিকার পদত্যাগ করেছেন, ডেপুটি স্পিকার কারাগারে। তাহলে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার আগে সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করবেন কে?

কেমন হতে যাচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন? এই নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত জোট কেমন করতে পারে? নির্বাচনের মাঠে আমেরিকা আর ভারত কী প্রভাব রাখবে? এসব নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনীতি বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

ধানের শীষ বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক, লাঙ্গল জাতীয় পার্টির। কিন্তু এই ধানের শীষ বিএনপির ছিল না, লাঙ্গলও আগে জাতীয় পার্টির ছিল না। ধানের শীষ আর লাঙ্গল দুই প্রতীকই ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কিংবদন্তি দুই রাজনীতিকের নির্বাচনী প্রতীক।

অতীতের ইতিহাস থেকে দেখা যায়, প্রতিটি গণভোটেই সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল। ১৯৭৭ ও ১৯৮৫ সালের প্রথম দুই গণভোটে তো রীতিমতো জিয়াউর রহমান ও এরশাদের ছবি দিয়ে পোস্টার ছাপিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো হয়েছিল।

ধানের শীষ বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক। ধানের শীষ নিয়েই ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জেনারেল জিয়াউর রহমান প্রথম লড়েছিলেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি ১৯৭৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একাধিক নির্বাচনে লড়েছে। ১৯৮১ সালে ধানের শীষ প্রতীকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিচারপতি আবদুস সাত্তার

জিয়াউর রহমান তো একজন সামরিক শাসক ছিলেন, কঠোর প্রশাসক ছিলেন। দেশকে স্থিতিশীল করতে তাকে অনেক অপ্রিয় পথ বেছে নিতে হয়েছিল। তাকে নিয়ে সমালোচনা অনেক, তাকে নিয়ে বিতর্ক অনেক। কিন্তু তার জনপ্রিয়তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কেন সামরিক শাসক জিয়া এত জনপ্রিয়?

জিয়াউর রহমান তো একজন সামরিক শাসক ছিলেন, কঠোর প্রশাসক ছিলেন। দেশকে স্থিতিশীল করতে তাকে অনেক অপ্রিয় পথ বেছে নিতে হয়েছিল। তাকে নিয়ে সমালোচনা অনেক, তাকে নিয়ে বিতর্ক অনেক। কিন্তু তার জনপ্রিয়তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কেন সামরিক শাসক জিয়া এত জনপ্রিয়?