
হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছিলেন, “আমেরিকার শত্রু হওয়া বিপজ্জনক হতে পারে, কিন্তু বন্ধু হওয়া সর্বনাশ।” বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কি সেই সত্যকেই বারবার প্রমাণ করছে? ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের এই আবহে কেন সৌদি আরব বা কুয়েতের মতো দেশগুলো এখন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নিয়ে দ্বিধায়?

সৌদি আরবসহ আটটি মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগদানের আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়েছেন। গাজা সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রতি তাদের সম্মিলিত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা।

হয়তো খামেনির সহযোগীরা আবারও দেশপ্রেমের আবেগকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাইছেন, যেমনটি তারা গত জুনের যুদ্ধের সময় করেছিলেন। এবার কী তা কাজে দেবে?

গাজায় ‘সন্ত্রাস’ শব্দ উচ্চারণ মানে পুরো মহল্লা নিশ্চিহ্ন করার ছুটি পাওয়া, ভারতে ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ বললেই মুসলমানের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়– এসবই সেই বাজারের নিয়ম, যেখানে মুসলমানভীতিই সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পণ্য।