
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিডিজেন ডেস্ক

কাতারে বৃহত্তর সিলেটের প্রবাসীদের সামাজিক সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত নেতারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা।
অ্যাসোসিয়েশনের আট সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন নবনির্বাচিত সভাপতি মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আহমদ মালেক।
প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা ছিলেন নবনির্বাচিত সিনিয়র সহসভাপতি হাবিবুর রহমান, সহসভাপতি জুবের খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ নবী নোমান, সহ অর্থ সম্পাদক আব্দুর রব, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক মকবুল আলী ও সহ সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক মুক্তার তালুকদার।
রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত নেতাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা করেন, ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব বৃহত্তর সিলেট প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেবে। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা নতুন কমিটির একটি তালিকা রাষ্ট্রদূতের কাছে হস্তান্তর করেন।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।