Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশেষ প্রতিবেদন

বাবাকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বলা স্লিপ অব টাং’: জামায়াত এমপি

আল হেলাল শুভ

আল হেলাল শুভ

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ১৭: ১১
বাবাকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বলা স্লিপ অব টাং’: জামায়াত এমপি

নিজেকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধার’ সন্তান দাবি করে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে এখন ‘স্লিপ অপ টাং’ বলছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।

Advertisement

আজ বুধবার দুপুরে চরচাকে তিনি বলেন, “আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।”

নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মুনতাকিম গতকাল মঙ্গলবার সংসদে দেওয়া বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের ‘অবদান ছিল’ দাবি করে বলেন, তার বাবা একজন ‘শহীদ’।

৪৫ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্য নিজের বাবাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘শহীদ’ দাবি করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে জানা যায়, নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, সেখানে লেখা তার জন্ম ১৯৮১ সালে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘হাস্যরসও’ ছড়িয়ে পরে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংসদে কী বলেছিলেন মুনতাকিম

জামায়াতের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম সংসদে দেওয়া বক্তব্যে বলেছিলেন, “আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা সাত ভাই-চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জনের ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা।”

তিনি আরও বলেন, ‘‘আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকদের একজন, কিন্তু আমি আজকে মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই কেউ কেউ অনেক কিছু বলে ফেলে।”

তার বক্তব্য সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে জানা যায়, তিনি নির্বাচনী হলফনামায় জানিয়েছেন তার জন্ম ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। তখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ১৯৭১ সালে ‘শহীদ’ হন কীভাবে?

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মুনতাকিমের বয়সে এখন ৪৫ বছরের কিছু বেশি। তার বাবার নাম মো. আব্দুল কাদের সৈয়দী।

‘বাবা বেঁচে আছেন’

বিষয়টি নিয়ে চরচাকে সংসদ সদস্য মুনতাকিম বলেন, ‘‘আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।”

তার বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ কি না জানতে চাইলে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘‘না, ওইটা স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে। আমার বাবা এখনো বেঁচে আছেন। আমার আব্বা আলহামদুলিল্লাহ, সুস্থ আছেন।”

হলফনামায় দেওয়া তার জন্মবৃত্তান্ত সঠিক কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘হ্যাঁ, সেটাই সত্যি। আমি ১৯৮১ সালে জন্মগ্রহন করেছি।”

পরিবারে কতজন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ আছে এ বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারেননি মুনতাকিম।

পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা আছে এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘অনেকেই আছেন। ৪৭ জন একুরেট না। পারিবারিকভাবে অনেকেই আছেন। আমাদের অনেকেই শহীদ আছেন। আমার মা ও বাবার পরিবার মিলে অনেকেই আছে। কিন্তু সংখ্যাটা সঠিক হয়নি (৪৭ জন)। পরে আমরা পারিবারিকভাবে খবর নিলাম, সংখ্যাটা সঠিক হয়নি।”

সংখ্যাটা কত, জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘‘সঠিক বলতে পারছি না।”

পরিবারে কারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘আমার দাদার ভাই দেলোয়ার হোসেন যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।”

দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন কি না জানতে চাইলে মুনতাকিম বলেন, ‘‘যুদ্ধ করেছেন কিন্তু শহীদ হননি।”

নীলফামারীর এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমার বক্তব্যে অসাবধানতাবশত ভুল হয়ে গিয়েছে।

এটা নিয়ে আমি সংশোধনী দিয়েছি স্পিকার বরাবর। যা আজকে জমা হচ্ছে।”

গত এপ্রিল মাসে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা জামায়াতের নায়েবে আমির সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবি করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দেওয়া মানুষদের আশ্রয় দিয়েছেন এবং পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

তাহের সেদিন বলেন, “আজকাল আমাদের খুব বেশি করে রাজাকার-আলবদর বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই যে আমরা এখানে (জামায়াত সদস্যরা) বসে আছি, আমরা তো কেউ রাজাকার ছিলাম না, আলবদরও ছিলাম না। যদি আপনারা সেভাবে মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন, তবে আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা। আমাদের বাড়ি ছিল বর্ডারের কাছে এবং বাড়িটি বেশ বড় ছিল। যারা ইন্ডিয়াতে মাইগ্রেট করতে যেতেন, তারা প্রথমে আমাদের ওখানে এসে আশ্রয় নিতেন। আমরা তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতাম। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কিনা, তা আমরা পাহারা দিতাম। যখন সেনারা দূরে থাকতো, তখন আমরা গাইড করে মানুষকে ইন্ডিয়া পার করে দিতাম।”

বিষয়: ত্রয়োদশ সংসদশহীদমুক্তিযুদ্ধজামায়াতে ইসলামীসংসদ সদস্য
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করেছেন। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পৃথক পোস্ট দিয়ে নিজেদের বিয়ের খবর জানিয়েছেন এই দম্পতি। ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখে

  • ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকবছর ধরে নতুন কিছু ভাইরাল গ্রুপ আর পেজের দেখা মিলছে। ‘বাস লাভার’, ‘ট্যুর বাস লাভার’, ‘বাস স্পটার’ নামের অনেক গ্রুপ আর পেজ দেখা যায় ফেসবুকে। এই গ্রুপ বা পেজগুলোয় বাস নিয়ে নানা ধরনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এসব গ্রুপের সদস্য বা পেজের অ্যাডমিনরা কিছুদিন পরপরই বাস ভাড়া করে দূরপ

  • সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    “আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে। তখনই আমার ভিতরে আত্মা নাই। এরপর র‍্যাবের (এসআরবি) অফিসে নিয়ে তাদের শেখানো স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেয় এবং কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মারে। যদি তাদের মতো করে স্বীকারোক্তি না দিই, তাহলে জামিন পাব না–এমনটিও বলেন র‍্যাবের (এসআরবি) কর্মকর্তারা”

  • খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।