
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক হালাল বাণিজ্য মেলায় (মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস-মিহাস) অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। চার দিনব্যাপী (২৩–২৬ সেপ্টেম্বর) এই মেলা আজ শেষ হয়েছে। মেলায় বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যে আগ্রহ দেখিয়েছেন বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উদ্যোগ এবং কুয়ালালামপুরে নিয়োজিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের ব্যবস্থাপনায় মেলায় বাংলাদেশের ছয়টি বাণিজ্যপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
শেপিং ট্রাস্ট, ড্রাইভিং রেজিলিয়েন্স প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫৮টি দেশের ১ হাজার ৭০০টি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২ হাজার বুথে হালাল খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে ওষুধ, প্রসাধনী, ফ্যাশন, লজিস্টিকস, ইসলামিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও পর্যটনসহ ১৪টি খাতের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন ও বিভিন্ন বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় মালয়েশিয়ার এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের ডেপুটি সিইও (এক্সপোর্ট অ্যাকসিলেরেশন) জে শংকর উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে তারা বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি, নতুন বাজার সৃষ্টি, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব এবং হালাল সনদ বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন।
তারা সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা বলেন।
হাইকমিশনার হালাল শোকেসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ, বাংলাদেশি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

পরে হাইকমিশনার পৃথকভাবে মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ ও এগ্রোভার্স লিমিটেড (মৈত্রী)’–এর বুথসমূহ পরিদর্শন এবং মালয়েশিয়ার বাজারে তাদের উল্লেখযোগ্য অবস্থানের প্রশংসা করেন।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের পাশাপাশি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথেও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য রপ্তানিযোগ্য পণ্য, ব্রশিওর, প্রকাশনা এবং প্রচারণামূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়েছে।

চার দিনব্যাপী এই মেলার বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে এপেক্স কনভেনিয়েন্স ফুড লিমিটেড, বায়োফার্মা লিমিটেড, ঘরেরবাজার, নারিশ ফুড লিমিটেড, প্যারাগন গ্রুপ ও তালুকদার অ্যাগ্রো ফুড বেভারেজ তাদের খাদ্য ও পানীয়, রেডি টু ইট পণ্য, হিমায়িত খাদ্যপণ্য, মসলা, সুগন্ধি চাল, মধু, চা, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, ওষুধ পণ্য এবং ভোক্তা পণ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতের পণ্য আন্তর্জাতিক ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরে।
এ ছাড়াও, মেলায় বিটুবি মিটিং, বিজনেস নেটওয়ার্কিং এবং বিজনেস ম্যাচমেকিংয়ের মাধ্যমে নতুন ক্রেতা ও ব্যবসায়িক অংশীদার খোঁজা হয়।

বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস মেলায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ দেশীয় হালাল পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা, আমদানিকারক, পরিবেশক ও ব্যবসায়ীদের কাছে বাংলাদেশের তৈরি হালাল পণ্যসামগ্রী পরিচিতির মাধ্যমে নতুন বাজারে প্রবেশ, ব্যবসায়িক অংশীদার তৈরি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা যায়।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।