
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন এমন অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি অ্যাসাইলাম প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করবে তাঁর সরকার।
টোরি সরকারের রুয়ান্ডা স্কিম বাতিল করার পর আগামী বছর অ্যাসাইলাম আবেদন করা অবৈধ অভিবাসীর আবেদন মঞ্জুর করবেন।
তবে এই তালিকায় রয়েছেন যারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ইতিমধ্যে ব্রিটেনে ঢুকেছেন।
আবেদনকারীদের অধিকাংশ ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে ঢুকে অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন। এরকম প্রায় ৩০ হাজার অভিবাসীকে প্রতিদিন ৩ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
হোম অফিস সূত্র বলছে টোরি সরকারের অধীনে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল আশ্রয় দাবি প্রক্রিয়া। যার ফলে হোম অফিসের বাজেটের আশ্রয় ব্যাকলগ ৫ বিলিয়ন পাউন্ড হয়েছে। বর্তমানে খরচ কমাতে ও নমনীয়তা তৈরি করতে এবং করদাতাদের জন্য অর্থের মূল্য প্রদানের জন্য হোম অফিস নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।
শরণার্থী কাউন্সিলের তথ্য বলছে, বর্তমানে আনুমানিক প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৮২ জন অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ তাদের আশ্রয় দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে।
টোরি প্রধান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রবর্তিত আইন কর্তৃক অভিবাসীদের যুক্তরাজ্যে আশ্রয় থেকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। ওই আইন বলা ছিল ‘ব্রিটেনে যারা অবৈধভাবে এসেছে তাকে আটক করা উচিত এবং রুয়ান্ডার মতো নিরাপদ দেশে নির্বাসিত করা উচিত।' সুনাকের এই আইনের সমালোচনা করে স্টারমার এই সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ও টাইমস

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।