
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
প্রবাসে বাংলাদেশি কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের জন্য প্রবাসীদের কষ্টে অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়। এসব ব্যক্তিদের কাছে সাধারণ প্রবাসীরা অসহায় বলা যায়। বিভিন্ন বাংলাদেশি সংগঠনের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা বিদেশেও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না।
কুয়েত বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠা এবং বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, উচ্ছৃঙ্খল আচরণে অভ্যস্ত ও সাংবাদিক নামধারী এক প্রবাসীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা।
সম্প্রতি কুয়েত সিটির রাজবাড়ী রেস্তোরাঁয় ‘বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েত’ ও ‘সাংবাদিক ইউনিয়ন কুয়েত’–এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভায় তাঁকে অবাঞ্ছিত করা হয়।
সভায় কুয়েতের দুই সাংবাদিক সংগঠনসহ কুয়েতপ্রবাসী সকল সংবাদকর্মীদের পক্ষ থেকে সাংবাদিক নামধারী আল-আমিন সরকার নামে এক কুয়েতপ্রবাসীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি ওঠে।
কারণ হিসেবে প্রবাসী সাংবাদিকেরা জানান, আল–আমিন সরকার কুয়েতের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন, যা প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড।
সভায় সাংবাদিকে আরও জানান, কিছুদিন আগে বিএনপির কুয়েত শাখার এক অনুষ্ঠানে আল আমিন সরকার আরটিভি নিউজে তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি হিসেবে তাকে সম্বোধন না করায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সহ-সভাপতি ও কুয়েতে আরটিভির প্রতিনিধি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও মারতেও উদ্যত হন।
মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এই অভিযোগটি লিখিতভাবে পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতকে অবহিত করেছেন।
এর আগেও একাধিকবার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে অপদস্থ ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ রয়েছে আল–আমিন সরকারের বিরুদ্ধে।
এদিকে তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচিত আল–আমিন সরকারের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর ভাইরাল হওয়া ওই অডিও রেকর্ডে, কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ও রাজনৈতিক কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করার ওয়াদা করেন তিনি।
জানা গেছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ পর্যায়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন মন্তব্যে হতবাক হন কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা।
ভাইরাল রেকর্ডটিতে আল–আমিন সরকারকে বলতে শোনা যায়, ‘কুয়েতের রাষ্ট্রদূত ও রাজনৈতিক কাউন্সেলর মনিরুজ্জামানকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করব, এটা আমার ওয়াদা। কারণ আমি বলি কম করি বেশি। ইনশাআল্লাহ করে দেখাব।’
জনৈক কাদেরকে উদ্দেশ্য করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো অডিও বার্তাটিতে আল–আমিন সরকারকে দূতাবাসের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করতে শোনা যায়। এ সময় তিনি নিজেকে রাজনৈতিক নেতার পাশাপাশি সংবাদকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দূতাবাসে সাত থেকে আট বছর যাবৎ আসা-যাওয়া বেশি হওয়ার বিষয়টা টেনে এনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতে শোনা যায়।
কুয়েতপ্রবাসী অনেকে বলেন, এ ধরনের হুমকিতে বিব্রত খোদ বিএনপির কুয়েত শাখার নেতারাও।
এ ছাড়া, কুয়েতে এর আগেও একাধিক বাংলাদেশি সংবাদকর্মীর ওপর আল–আমিন সরকারের চড়াও হওয়ার ঘটনা আছে। কমিউনিটির নেতারা এসব ঘটনা পরে মীমাংসা করে দিন।
প্রবাসী সাংবাদিকেরা আরও জানান, সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরই আল–আমিন সরকার নিজের মুখোশ পরিবর্তন করে নিজেকে এনটিভির প্রতিনিধি ও তাঁতী দলের কুয়েত শাখার সভাপতি বলে প্রভাব খাটাতে শুরু করেন।
আল–আমিন সরকারের নেতিবাচক কার্যকলাপে অতিষ্ঠ সাংবাদিকসহ অনেক প্রবাসী। এরই প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি ওঠে।
সভায কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা সর্বসম্মতিক্রমে আল–আমিন সরকারকে অবাঞ্ছিত করার ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে কুয়েতে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত একাধিক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে এই আল-আমিন সরকারের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন।
সুমন আহমেদ, কুয়েত থেকে

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।