
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
বিডিজেন ডেস্ক

বিশেষ গণ-নিয়মিতকরণ (মাস রেগুলারাইজেশন) কর্মসূচির সময়সীমা মঙ্গলবার (৩০ জুন) শেষ হওয়ার আগে স্পেনের কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের নিবন্ধনের আহ্বান জানাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই কর্মসূচিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ আবেদন করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।
অধিকারবিষয়ক সংগঠন সিইএআর এবং সেপাইম মালি, ইরান বা ভেনেজুয়েলার মতো দেশের অভিবাসীদের পরামর্শ দিয়েছে, নিজ দেশের প্রয়োজনীয় নথি এখনো হাতে না এলেও আবেদন জমা দিতে।
সিইএআরের আইন বিভাগীয় সমন্বয়কারী এলেনা মুনিয়োজ বলেন, “আমাদের কার্যালয়ে যারা এসেছেন এবং যাদের আবেদন প্রক্রিয়ার শুরুতে কিছু কাগজপত্রের ঘাটতি ছিল, তাদের সবার নথি আমরা শেষবারের মতো যাচাই করছি।”
তিনি বলেন, “কোনো আবেদন এখনো সম্পূর্ণ না হলেও আমরা ৩০ জুনের আগেই তা জমা দেব, যাতে তারা এই নিয়মিতকরণ কর্মসূচির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।”
এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে স্পেন সরকার প্রায় ১০ লাখ আবেদন পেয়েছে, যা তাদের প্রত্যাশিত ৫ লাখ আবেদনের প্রায় দ্বিগুণ।
তুলনামূলকভাবে বিদেশি আগমনবান্ধব নীতি অনুসরণকারী স্পেনে এনজিওগুলো এখনো আবেদন না করা অভিবাসীদের উদ্বেগও কমানোর চেষ্টা করছে।
স্পেনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের ইউনিয়নের নেতা সিজার পেরেজ জানান, শুক্রবার পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৭০ হাজার।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
সেপাইমের মহাপরিচালক হুয়ান সেগুরা বলেন, অভিবাসীদের আবেদন জমা দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, কারণ আবেদন করার পর প্রয়োজনীয় অনুপস্থিত নথি জমা দেওয়ার জন্য তারা অতিরিক্ত সময় পাবেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও মালির মতো সংঘাতকবলিত দেশের অভিবাসীরা স্পেনের কনস্যুলেট থেকে নথি বৈধকরণে নানা বাধার মুখে পড়েছেন। একই ধরনের জটিলতা আলজেরিয়া ও নাইজেরিয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে।
অন্যদিকে ভেনেজুয়েলার নাগরিকেরা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপোস্টিল সংগ্রহে বিলম্বের মুখে পড়েছেন। এ ছাড়া জুনের শুরুতে স্পেনের নীতিগত পরিবর্তনের কারণে আশ্রয়প্রার্থীদের এই নতুন প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করা হয়, ফলে প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুতের জন্য তাদের হাতে কম সময় ছিল।
সেগুরা বলেন, “এর ফলে ভেনেজুয়েলার অনেক অভিবাসীর প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের সময় কমে গেছে। এখন তাদের অনেকেই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাই সময়সীমা বাড়ানো যুক্তিযুক্ত হবে।”
তবে অভিবাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সময়সীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।
সিইএআরের মতে, একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন, যাতে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি পাওয়ার আগে দুই বছর অনিয়মিত অবস্থায় থাকতে না হয়।
ভ্যালেন্সিয়াভিত্তিক একটি এনজিওর প্রধান সিলভানা কাবরেরা বলেন, শেষ মুহূর্তে আবেদন গ্রহণের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। অনেক অভিবাসী হয়তো সময়মতো নিবন্ধনই করতে পারবেন না।”
এনজিওগুলোর আশঙ্কা, প্রায় ১০ লাখ আবেদনের অন্তত ২০ শতাংশ বাতিল হতে পারে। এর প্রধান কারণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক নমনীয়তার অভাব।
আবেদনের যোগ্যতার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে কয়েক ঘণ্টা পরে স্পেনে পৌঁছানো কলম্বীয় অভিবাসী হোসে লুইস কিরোগা এনজিও আকুলকোর পরামর্শে আবেদন জমা দিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।