
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াজাত পণ্যের উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরতে জাপানের রাজধানী টোকিওর ফ্যাশন ওয়ার্ল্ডে (ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও (অটাম) ২০২৬) উদ্বোধন করা হয়েছে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন।
আজ বুধবার টোকিও বিগ সাইটে শুরু হওয়া মেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) উদ্যোগ ও আর্থিক সহায়তায় তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে ২৭টি বুথে ২৫টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এ ছাড়া আরও পাঁচটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে।
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। প্রদর্শিত বাংলাদেশি পণ্যের উচ্চমান দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনের পর প্রদর্শনীস্থলে ‘বাংলাদেশ: পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াজাত পণ্যের উৎকৃষ্ট সোর্সিং গন্তব্য’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইপিবি যৌথভাবে এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) সহযোগিতায় সেমিনারটি আয়োজন করে। এতে জাপানের আমদানিকারক, বিনিয়োগকারী, ট্রেডিং হাউস এবং দুই দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সেমিনারে রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী বলেন, বাংলাদেশ শুধু একটি উৎপাদনকেন্দ্র নয়, জাপানের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সোর্সিং ও বিনিয়োগ অংশীদার হিসেবেও নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, পোশাক, টেক্সটাইল, চামড়া ও জুতা, ওষুধ, সিরামিক, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা (আইটিইএস) এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে এবং এ খাত থেকে বছরে প্রায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় করে।
তিনি বলেন, ইউনিক্লো, এইচঅ্যান্ডএম, জারা ও ওয়ালমার্টের মতো বৈশ্বিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে। একই সঙ্গে ২৩০টির বেশি লিড (এলইইডি) সনদপ্রাপ্ত সবুজ পোশাক কারখানা নিয়ে টেকসই উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়।
তিনি আরও বলেন, তৈরি পোশাকের পর চামড়া ও জুতা খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয়ের উৎস। এ খাত থেকে বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় হয়। আগামী পাঁচ বছরে এ খাতের রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সুস্পষ্ট লক্ষ্য রয়েছে।
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সেমিনারে জেট্রোর গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ইউজি আন্দো বলেন, বিশেষ করে পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের মান ও মূল্য-প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশি পণ্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলে এবং একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক দামে পাওয়া যায়। ফলে জাপানের ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোর জন্য বাংলাদেশ একটি আদর্শ সোর্সিং গন্তব্য হিসেবে অবস্থান তৈরি করেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।