
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
চরচা প্রবাস ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণশীল বিরোধী জোট অস্থায়ী ও মানবিক ভিসার সংখ্যা কমানোর এবং দক্ষ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। জোটটির ভাষ্য, এর মাধ্যমে দেশটির ইতিহাসে অভিবাসন সবচেয়ে বেশি কমানো হবে।
লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশনের অভিবাসন নীতিতে চার বছরে অস্থায়ী ভিসার সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি, আগামী দুই বছর বার্ষিক নিট বিদেশি অভিবাসন কমিয়ে ১ লাখে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমান হারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং আবাসনসংকটের কারণে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনবিরোধী মনোভাব জোরালো হয়ে ওঠার মধ্যে এ ব্যাপক পরিকল্পনা সামনে আনা হলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
উগ্র ডানপন্থী অভিবাসনবিরোধী দল ওয়ান নেশনের চাপের মুখেও রয়েছে কোয়ালিশন। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে দলটি কোয়ালিশনের চেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছে। তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসন ৭ লাখ ৫০ হাজার কমানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি।
গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা অ্যাঙ্গাস টেলর বলেন, “আজ আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি, তা এই দেশের ইতিহাসে অভিবাসন সবচেয়ে বেশি কমানোর পরিকল্পনা।”
তিনি বলেন, “এতে অস্ট্রেলিয়া এবং দেশের জাতীয় স্বার্থকে সবার আগে রাখা হবে।”
টেলর আরও বলেন, “নিট বিদেশি অভিবাসীর সংখ্যা প্রথম বছরে ১ লাখ, দ্বিতীয় বছরেও ১ লাখ এবং চতুর্থ বছরে ১ লাখ ৬০ হাজারে দাঁড়াবে। এতে সড়ক, বিদ্যালয়, অবকাঠামো ও আবাসনের ওপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে আমাদের দেশ প্রয়োজনীয় স্বস্তি ও অবকাশ পাবে।”
কোয়ালিশনের পরিকল্পনায় মানবিক ভিসার সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে ১০ হাজারে নামিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তির সংখ্যা কমিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার করা হবে। এ ছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার অস্থায়ী স্নাতক ভিসা কর্মসূচি বাতিল করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতক সম্পন্ন করার পর দেশটিতে বসবাস, পড়াশোনা ও কাজ করার সুযোগ পান।
অন্যদিকে, অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার সংখ্যা ১ লাখ বাড়ানো এবং নির্মাণশ্রমিকদের ভিসার আবেদনের জমে থাকা জট দূর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে কোয়ালিশন।
টেলর বলেন, “লেবার সরকারের আমলে দক্ষ কর্মী অভিবাসন থেকে সরে এসে ব্যাপক হারে অভিবাসনের দিকে ঝোঁক দেখা গেছে। আমরা এই প্রবণতা উল্টে দেব।”
গত মাসে মধ্য-বামপন্থী লেবার সরকার অভিবাসন কমানোর যে প্রস্তাব দিয়েছিল, বিরোধী জোটের পরিকল্পনা তার চেয়েও কঠোর। লেবার সরকারের লক্ষ্য, ২০২৮ সালের মধ্যে বার্ষিক নিট অভিবাসন কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা।
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর সীমান্ত বন্ধ রাখার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া আবার সীমান্ত খুলে দেয়। এরপর দেশটিতে অভিবাসন দ্রুত বেড়ে যায়। এ বৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার এবং অস্থায়ী কর্মীদের আগমন বড় ভূমিকা রাখে।
তবে গত দুই বছরে অভিবাসীর সংখ্যা কমেছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এক বছরে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার।
অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন ২০২৮ সালে হওয়ার কথা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।