Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> প্রবাস

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন, তদন্তে নতুন মোড়

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ১৯: ১৯
সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন, তদন্তে নতুন মোড়

সাইপ্রাসে লারনাকায় ২২ বছর বয়সী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ ইমনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে চলমান তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে। ৯ দিন ধরে অনুসন্ধানের পর ঘটনাটি এখন হত্যাকাণ্ডের রূপ নিয়েছে।

Advertisement

ফিলি নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

লারনাকা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তারা এ ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছেন। তারা বলেছেন, শাহরিয়ার আহমেদ ইমনের অপহরণ মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তারা একজন ২২ বছর বয়সী বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি শাহরিয়ারকে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি পুলিশকে কোফিনাউ অভিবাসী অভ্যর্থনাকেন্দ্র এবং স্থানীয় কসাইখানার কাছাকাছি একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে যান। সেখান থেকেই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গতকাল রোববার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার রিমান্ড শুনানির জন্য তাকে লারনাকা ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে হাজির করার কথা আছে।

ফরেনসিক দল মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার স্থানটি ঘিরে রেখেছে। ঘটনার বিস্তারিত আলামত সংগ্রহের জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার কয়েক মাস আগে লারনাকা শহরের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ওরোকলিনি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। ১২ জুন শাহরিয়ার তার ফ্ল্যাটমেটদের বলেছিলেন, তিনি কোফিনাউতে একটি কারখানায় কাজে যোগ দিতে যাচ্ছেন। সেটি ছিল তার কাজের প্রথম দিন।

ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শাহরিয়ার বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। এর পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সর্বশেষ ১২ জুন রাতের দিকে শাহরিয়ার এক বন্ধুকে একটি ডিজিটাল লোকেশন পিন পাঠিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরই তার ফোনের সিগন্যাল বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর ঘটনাটি বড় ধরনের ঘটনায় মোড় নেয়। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করে। শিক্ষার্থীর বাবা গ্রিসে থাকেন।

এই মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় গতকালের গ্রেপ্তারের ঘটনার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিপণসংক্রান্ত বার্তা প্রকাশ পায়।

ওই ডিজিটাল পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, গতকাল ১০ হাজার ইউরো এবং আজ আরও ২৫ হাজার ইউরো দিতে হবে। পাশাপাশি হুমকি দেওয়া হয়, কর্তৃপক্ষকে জানালে শাহরিয়ারের বাবা তার সন্তানের মুখ আর কখনো দেখতে পাবেন না।

পুলিশ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব বার্তার সত্যতা যাচাই করছে এবং একই সঙ্গে পুরো ঘটনার তদন্ত আরও গভীরভাবে এগিয়ে নিচ্ছে।

শাহরিয়ার নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার প্রথম থেকেই সন্দেহ করছিল, এটি একটি অপহরণের ঘটনা হতে পারে। তারা মুক্তিপণের দাবি এবং শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন থেকে পাঠানো একটি লোকেশন পিন পাওয়ার পর বিষয়টি পুলিশকে জানায়। তবে গতকাল সন্দেহভাজনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘটনাটি আসলে অপহরণ ছিল না; বরং হত্যাকাণ্ডের পর অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বীকার করেছেন, তিনি শাহরিয়ারকে তার অরোকলিনির বাসা থেকে ফুসলিয়ে কোফিনাউ–এর একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। একই সন্ধ্যায় তাকে গলা ও পিঠে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এরপর তিনি মরদেহটি ঘাস ও আগাছা দিয়ে ঢেকে রাখেন, শাহরিয়ারের মোবাইল ফোন চুরি করেন এবং পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য একটি ভুয়া অপহরণের নাটক সাজান।

গতকাল দুপুরে অভিযুক্ত ব্যক্তি লারনাকার সিআইডি কর্মকর্তাদের নিয়ে সে স্থানটিতে যান এবং লুকিয়ে রাখা মরদেহের অবস্থান দেখিয়ে দেন। হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও নিহত শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র লুকিয়ে রাখার স্থানটি দেখান তিনি। এটির অবস্থান কোফিনাউ অভিবাসী অভ্যর্থনাকেন্দ্র ও স্থানীয় একটি কসাইখানার কাছাকাছি। ফরেনসিক দল পরে মরদেহটি উদ্ধার করে। এটিতে পচন ধরেছিল।

প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ধারালো ছুরিকাঘাতের পাশাপাশি ২২ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর গলায় শ্বাসরোধের স্পষ্ট চিহ্ন আছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিন আগে একটি বাসে শাহরিয়ারের সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির দেখা হয়। ওই সময় শাহরিয়ারের কোনো মন্তব্যে তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এরপরই অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে শাহরিয়ারকে ফাঁদে ফেলেন।

তবে ব্যক্তিগত বিরোধের দাবি থাকলেও কর্তৃপক্ষ এখনো হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

বিষয়: সাইপ্রাসঅপরাধতদন্তইউরোপনিহতবাংলাদেশি শিক্ষার্থী
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব

    অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব

    অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

  • খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?

    খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?

    খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

  • মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

    মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক

    আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক

    আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।