
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য রপ্তানির ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন, তার জেরে সবচয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাই। যে দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেশি ব্যবসা-বাণিজ্য করে, পাল্টা শুল্কের প্রভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকেরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশগুলোর বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ মিত্র। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দীর্ঘদিন ধরে চীনের বিকল্প হয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল এবং অনেকাংশে তারা সফলও হয়েছে। চীনের মতো সক্ষমতা তারা অর্জন করতে পারেনি ঠিকই, কিন্তু জুতা, ইলেকট্রনিকস ও ব্যাগের মতো পণ্য উৎপাদনে তারা চীনের বিকল্প হয়ে উঠেছিল। আর এসব দেশে উৎপাদিত পণ্যের বেশির ভাগেরই গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য–ঘাটতি বেশি এবং পরিণামে শুল্কের খড়্গ মূলত তাদের ওপরই বেশি নেমে এসেছে।
ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ছাড়াও আরও যেসব দেশের পণ্যে উচ্চহারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে সেগুলো হলো চীন, জাপান, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এই দেশগুলোর সুবিধা হলো, রপ্তানির জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেমন একটা নির্ভরশীল নয়; তা সত্ত্বেও পাল্টা শুল্কের কারণে এই দেশগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিয়েতনাম তাদের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিরি আকারের ২৯ শতাংশের সমপরিমাণ মূল্যের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। কম্বোডিয়া করে ২৭ শতাংশ; নিকারাগুয়া করে ২৪ শতাংশ; গায়ানা করে ২৩ শতাংশ; তাইওয়ান ১৫ শতাংশ, থাইল্যান্ড ১২ শতাংশ; মালয়েশিয়া ১২ শতাংশ; দক্ষিণ কোরিয়া ৭ শতাংশ; সুইজারল্যান্ড ৭ শতাংশ; জর্ডান ১২ শতাংশ ও ভেনেজুয়েলা ৬ শতাংশ।
ভিয়েতনামের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৪৬ শতাংশ শুল্ক, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯ শতাংশ শুল্ক, নিকারাগুয়ার ওপর ১৯ শতাংশ, গায়ানার ওপর ৩৮ শতাংশ, তাইওয়ানের ওপর ৩২ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ওপর ৩৭ শতাংশ, মালয়েশিয়ার ওপর ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ২৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের ওপর ৩২ শতাংশ, জর্ডানের ওপর ২০ শতাংশ ও ভেনেজুয়োর ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
আবার যেসব দেশ রপ্তানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়, তারাও ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে মার খাবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ। নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, এই শুল্কের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে। পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে। বিনিয়োগের প্রবাহ যাবে কমে এবং কমবে অর্থনৈতিক তৎপরতা। তার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে কর্মসংস্থানও কমে যাবে।
যেসব দেশের পণ্যে উচ্চশুল্ক আরোপিত হয়নি, সেইসব দেশও বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে পড়বে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলেন, এ সিদ্ধান্তে বিশ্ববাণিজ্যে একধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে। চীনা কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বদলে ইউরোপের বাজার সস্তা চীনা পণ্যে সয়লাব হয়ে যেতে পারে।
অন্য দেশের মধ্যে ইসরায়েল তাদের জিডিপির আকারের ৪ শতাংশের সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে; তাদের ওপর আরোপ করা হয়েছে ১৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক। জাপান তাদের জিডিপির ৪ শতাংশের সমমূল্যের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। জাপানের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ২৪ শতাংশ। দক্ষিণ আফ্রিকা করে তাদের জিডিপির আকারের ৪ শতাংশের সমমূল্যের রপ্তানি; তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩১ শতাংশ পাল্টা শুল্ক। শ্রীলঙ্কাও তাদের জিডিপির ৪ শতাংশের সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে; তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৪৪ শতাংশ শুল্ক।
তবে এবারের ঘোষণার ট্রাম্প মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যে নতুন করে কোনো শুল্ক আরোপ করেননি। এই দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। তাদের পণ্যে ইতিমধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।