
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
চরচা প্রবাস ডেস্ক

অভিবাসী ও দেশে ফিরে আসা প্রবাসী কর্মীদের মর্যাদার সঙ্গে নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে এবং ঘুরে দাঁড়ানো ও উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক সহায়তা পেতে সহায়তা করতে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ (ইউএন) একটি যৌথ কর্মসূচি চালু করেছে।
৩০ মাসের এই কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং জাতিসংঘের নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গসমতা বিষয়ক সংস্থা (ইউএন উইমেন) যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের অভিবাসী ও দেশে ফিরে আসা কর্মীদের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পুনঃএকত্রীকরণের প্রয়োজন মেটানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
জাতিসংঘের মাইগ্রেশন মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ডের (এমপিটিএফ) সহায়তায় পরিচালিত এ উদ্যোগের আওতায় সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ নারী ও শিশু এবং সংকটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রধান সরকারি মন্ত্রণালয় হিসেবে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে।
আজ বৃহস্পতিবার নিজ নিজ পক্ষের হয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে আইওএমের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্ডে।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইংয়ের প্রধান এ কে এম সোহেল, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী এবং ইআরডির জাতিসংঘ উইংয়ের যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান। এ ছাড়া, মন্ত্রণালয়, আইওএম, আইএলও, ইউএন উইমেন, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ড. লরা বলেন, “এই যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে একত্র করে বাংলাদেশ সরকারকে একটি সমন্বিত ও অভিবাসীকেন্দ্রিক পুনঃএকত্রীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে।”
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে গেছেন। তাদের মধ্যে ১০ লাখেরও বেশি নারী।
এই কর্মসূচি বাংলাদেশের পুনঃএকত্রীকরণ-সংক্রান্ত লক্ষ্য এবং গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশনের ২১ নম্বর উদ্দেশ্য—মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন ও টেকসই পুনঃএকত্রীকরণ, বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
এ ছাড়া, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নেও কর্মসূচিটি ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে লিঙ্গসমতা, শোভন কাজ এবং বৈষম্য হ্রাস-সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৫, ৮ ও ১০ অর্জনে এটি সহায়ক হবে।
সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর
মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন
‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’
‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’
চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।