চরচা প্রতিবেদক

অতীতে র্যাবের ক্রসফায়ারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে কোনো তথ্য চাওয়া হলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ। আজ রোববার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক মতবিনিময় সভায় এই কথা জানান তিনি।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা চাওয়া হলে, আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। আমাদের কাছে যা আছে তা দেব। কোনো তথ্য না থাকলে আমরা অপারগতা প্রকাশ করব। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল এই বিষয়ে এখনো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।”
র্যাব বিলুপ্তির বিষয়ে দেশি-বিদেশি সংস্থার চাপের বিষয়ে ডিজি বলেন, “র্যাব বিলুপ্তি বা এ সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়ভার র্যাবের ওপর বর্তায় না। সরকার এই বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। আমাদের (র্যাব) কর্তব্য হচ্ছে দায়িত্ব পালন করা। আমরা যেহেতু রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছি, সেহেতু আমাদের মূল কাজই হচ্ছে র্যাবকে জনগণের সামনে কাজের মাধ্যমে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। র্যাব সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে, আমরা আমাদেের কাজ করে যাব।”
বিগত সময়ে র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “গত দেড় বছর এবং এর আগের সরকারের সময়ে র্যাবের কার্যক্রম যদি পর্যালোচনা করে দেখেন, তাহলে দেখবেন, র্যাবের এমন ইতিহাস বেশি নেই। এতেই প্রমাণিত হয়, র্যাবকে যদি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে র্যাব সঠিকভাবে পরিচালিত হতে পারে। আমি মনে করি, এ ব্যাপারে সরকার চেষ্টা করছে, আমাদের ভালো কাজে সম্পৃক্ত করা জন্য এবং আমি আশা করি র্যাব সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে আমরা সরকারের কিছু নির্দেশনা পেয়েছি।”
র্যাবের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “র্যাব পুর্নর্গঠন, সংস্কার, স্ট্র্যাকচারিং এগুলো সরকারের বিবেচনার বিষয়। আমরা নিজ থেকে এগুলো নিয়ে কিছু করার প্রযোজন মনে করছি না। আমাদের প্রায়োরিটি হচ্ছে কাজটা করা। আমরা সেটা করতে চাই। আর মানবাধিকার বা অন্যান্য ত্রুটির বিষয়ে আমরা অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করি। এ ব্যাপারে কেউ ছাড় পাচ্ছে না। আমি আশা করি, এই কাজগুলোর মাধ্যমে আমরা বেলাশেষে ভালো অবস্থানে যেতে পারবো। এবং আমাদের বিরুদ্ধে যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আস্তে আস্তে সমাধান হয়ে যাবে।”
জলদস্যু এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে র্যাব সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি মো.আহসান হাবীব পলাশ।

অতীতে র্যাবের ক্রসফায়ারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে কোনো তথ্য চাওয়া হলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ। আজ রোববার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক মতবিনিময় সভায় এই কথা জানান তিনি।
আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা চাওয়া হলে, আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। আমাদের কাছে যা আছে তা দেব। কোনো তথ্য না থাকলে আমরা অপারগতা প্রকাশ করব। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল এই বিষয়ে এখনো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।”
র্যাব বিলুপ্তির বিষয়ে দেশি-বিদেশি সংস্থার চাপের বিষয়ে ডিজি বলেন, “র্যাব বিলুপ্তি বা এ সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়ভার র্যাবের ওপর বর্তায় না। সরকার এই বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। আমাদের (র্যাব) কর্তব্য হচ্ছে দায়িত্ব পালন করা। আমরা যেহেতু রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছি, সেহেতু আমাদের মূল কাজই হচ্ছে র্যাবকে জনগণের সামনে কাজের মাধ্যমে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। র্যাব সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে, আমরা আমাদেের কাজ করে যাব।”
বিগত সময়ে র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “গত দেড় বছর এবং এর আগের সরকারের সময়ে র্যাবের কার্যক্রম যদি পর্যালোচনা করে দেখেন, তাহলে দেখবেন, র্যাবের এমন ইতিহাস বেশি নেই। এতেই প্রমাণিত হয়, র্যাবকে যদি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে র্যাব সঠিকভাবে পরিচালিত হতে পারে। আমি মনে করি, এ ব্যাপারে সরকার চেষ্টা করছে, আমাদের ভালো কাজে সম্পৃক্ত করা জন্য এবং আমি আশা করি র্যাব সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে আমরা সরকারের কিছু নির্দেশনা পেয়েছি।”
র্যাবের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আহসান হাবীব পলাশ বলেন, “র্যাব পুর্নর্গঠন, সংস্কার, স্ট্র্যাকচারিং এগুলো সরকারের বিবেচনার বিষয়। আমরা নিজ থেকে এগুলো নিয়ে কিছু করার প্রযোজন মনে করছি না। আমাদের প্রায়োরিটি হচ্ছে কাজটা করা। আমরা সেটা করতে চাই। আর মানবাধিকার বা অন্যান্য ত্রুটির বিষয়ে আমরা অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত করি। এ ব্যাপারে কেউ ছাড় পাচ্ছে না। আমি আশা করি, এই কাজগুলোর মাধ্যমে আমরা বেলাশেষে ভালো অবস্থানে যেতে পারবো। এবং আমাদের বিরুদ্ধে যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আস্তে আস্তে সমাধান হয়ে যাবে।”
জলদস্যু এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে র্যাব সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি মো.আহসান হাবীব পলাশ।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।