চরচা ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানদের সঙ্গে এই বৈঠক হচ্ছে।
একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি সভাও অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে এ সভায় নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়গুলো নিয়ে সভায় আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী ভোট হবে আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এক দিনে হতে যাচ্ছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর তিনদিন পর অর্থাৎ ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে শপথ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায় জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানদের সঙ্গে এই বৈঠক হচ্ছে।
একই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি সভাও অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে এ সভায় নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়গুলো নিয়ে সভায় আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী ভোট হবে আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এক দিনে হতে যাচ্ছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর তিনদিন পর অর্থাৎ ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে শপথ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায় জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।