চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর শাহবাগে দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক ফুল বিক্রেতা নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা নার্সিং কলেজ গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুক্তা আক্তার যশোর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের স্বজন বিল্লাল হোসেন জানান, সকালে রিকশা থেকে নামার সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেল এসে মুক্তা আক্তারকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে নেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর শাহবাগে দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক ফুল বিক্রেতা নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা নার্সিং কলেজ গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুক্তা আক্তার যশোর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের স্বজন বিল্লাল হোসেন জানান, সকালে রিকশা থেকে নামার সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির দুটি মোটরসাইকেল এসে মুক্তা আক্তারকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে নেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।