Advertisement Banner

ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা মামলা: ২২ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা মামলা: ২২ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
প্রতীকী ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা মামলায় আজ মঙ্গলবার ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। এ ছাড়া পলাতক ঢাবি শিক্ষকসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এসব আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেন আদালত।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নানুল ইসলাম ঢাকার চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন। আজ মামলায় দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণযোগ্যতা শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র তাকে আটক করে প্রথমে হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে যান। মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে তারা ওই যুবককে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় ও কিল-ঘুষি মারেন। পরে তাকে মানসিক রোগী ভেবে নিয়ে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাওয়ান ওই ছাত্ররা।

ক্যান্টিনে খাওয়ানোর পর তোফাজ্জলকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্টাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে আবার তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার ‍মৃত্যু হয়।

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

পরে ২৫ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহতের ফুফাতো বোন আসমা আক্তার। সেদিন বাদীর জবানবন্দি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলা একইসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

সম্পর্কিত