চরচা ডেস্ক

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর তার ভরসার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সরাসরি সাক্ষাতের পর মাচাদো বলেন, “আমি মনে করি আজ আমাদের ভেনেজুয়েলাবাসীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।”
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মাচাদো জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পকে তার নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন।
ট্রাম্প এই পদক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি জানান, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’
হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো বাইরে ফটকের কাছে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানা যায় তিনি স্প্যানিশ ভাষায় তাদের বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।”
পরে ইংরেজিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি।”
ট্রাম্প প্রায়ই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ইচ্ছার কথা বলেন। মাচাদো যখন গত বছর এই সম্মান গ্রহণ করেন, তখন তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
মাচাদো গত সপ্তাহে বলেছিলেন, তিনি নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন। তবে নোবেল কমিটি পরে স্পষ্ট করে জানায়, “এটি হস্তান্তরযোগ্য নয়।”
নোবেল কমিটি গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে বলেছে, “একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা বাতিল, ভাগ বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও চিরস্থায়ী।”
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর দেশটির বিরোধী দলের নেতা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবে বলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন। কারণ, দেশটিতে ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জয় দাবি করেছিলেন মাচাদো।
তবে মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর মাচাদোকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে কাজ শুরু করেন।
বুধবার ট্রাম্প ও রদ্রিগেজ ফোনালাপ করেন। পরে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ডেলসি রদ্রিগেজের প্রশংসা করে একজন অসাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করেন। রদ্রিগেজও ফোনালাপকে ফলপ্রসূ ও সৌজন্যমূলক বলে উল্লেখ করেন।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর তার ভরসার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সরাসরি সাক্ষাতের পর মাচাদো বলেন, “আমি মনে করি আজ আমাদের ভেনেজুয়েলাবাসীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।”
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মাচাদো জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পকে তার নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন।
ট্রাম্প এই পদক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি জানান, ‘এই পুরস্কার পারস্পরিক শ্রদ্ধার চমৎকার নিদর্শন।’
হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো বাইরে ফটকের কাছে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাতে জানা যায় তিনি স্প্যানিশ ভাষায় তাদের বলেন, “আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভরসা করতে পারি।”
পরে ইংরেজিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি।”
ট্রাম্প প্রায়ই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ইচ্ছার কথা বলেন। মাচাদো যখন গত বছর এই সম্মান গ্রহণ করেন, তখন তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
মাচাদো গত সপ্তাহে বলেছিলেন, তিনি নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন। তবে নোবেল কমিটি পরে স্পষ্ট করে জানায়, “এটি হস্তান্তরযোগ্য নয়।”
নোবেল কমিটি গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে বলেছে, “একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা বাতিল, ভাগ বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও চিরস্থায়ী।”
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর দেশটির বিরোধী দলের নেতা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাবে বলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন। কারণ, দেশটিতে ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জয় দাবি করেছিলেন মাচাদো।
তবে মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর মাচাদোকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে কাজ শুরু করেন।
বুধবার ট্রাম্প ও রদ্রিগেজ ফোনালাপ করেন। পরে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ডেলসি রদ্রিগেজের প্রশংসা করে একজন অসাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করেন। রদ্রিগেজও ফোনালাপকে ফলপ্রসূ ও সৌজন্যমূলক বলে উল্লেখ করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।