চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর সূত্রাপুরের উইজডম স্কুলের সামনের রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তুলসী দাস (৬০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। তিনি সূত্রাপুরের জাস্টিজ রোড এলাকার প্রকাশ চন্দ্র দাসের মেয়ে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তুলসী দাসের ছেলে শুভদাস বলেন, ‘‘বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমার মা পায়ে হেঁটে উইজডম স্কুলের সামনের রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে আমরা তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক আমার মাকে মৃত ঘোষণা করেন।’’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সূত্রাপুর থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর সূত্রাপুরের উইজডম স্কুলের সামনের রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তুলসী দাস (৬০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। তিনি সূত্রাপুরের জাস্টিজ রোড এলাকার প্রকাশ চন্দ্র দাসের মেয়ে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তুলসী দাসের ছেলে শুভদাস বলেন, ‘‘বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমার মা পায়ে হেঁটে উইজডম স্কুলের সামনের রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে আমরা তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক আমার মাকে মৃত ঘোষণা করেন।’’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সূত্রাপুর থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।