চরচা প্রতিবেদক

সারা দেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষা কেন্দ্র বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়।
পরে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ব্রিফিং করেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল হক।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড়ে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ, আর ২০২৩ সালে ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে জিপিএ–৫ পেয়েছে ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিলেও প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়নি। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী।
সারা দেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল বোর্ডের ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে।

সারা দেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষা কেন্দ্র বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়।
পরে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে রাজধানীর বকশীবাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ব্রিফিং করেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল হক।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড়ে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ, আর ২০২৩ সালে ছিল ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে জিপিএ–৫ পেয়েছে ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।
এ বছর মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিলেও প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়নি। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী।
সারা দেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল বোর্ডের ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।