চরচা ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় ৩ পাহাড়ি নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় ৩ পাহাড়ি নিহত এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক মেজরসহ ১৩ সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়াও এতে আহত হয়েছেন গুইমারা থানার ওসি ও ৩ পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে সবাইকে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অতি শিগগির তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। সে পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধরে শান্ত থাকার পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় ৩ পাহাড়ি নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় ৩ পাহাড়ি নিহত এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক মেজরসহ ১৩ সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়াও এতে আহত হয়েছেন গুইমারা থানার ওসি ও ৩ পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে সবাইকে আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অতি শিগগির তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। সে পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধরে শান্ত থাকার পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।