চরচা প্রতিবেদক

শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার দুপুর ১টার দিকে ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শিক্ষক সমিতির একাংশ নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিয়োগে অনিয়ম, পদোন্নতি বঞ্চিত করা এবং ক্ষমতার অপব্যাবহারের অভিযোগ তুলে আসছিলেন শিক্ষকদের একটি অংশ। এসব বিষয়ে আলোচনা করতে কৃষিবিদ্যা ও হাওর কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক উপাচার্যের কক্ষে যান। সেখানে উপাচার্যপন্থী শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার হওয়ার দাবি করে অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক বলেন, “প্রশাসনিক অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে গেলে উপাচার্য ও প্রক্টরের অনুসারীরা আমার ওপর হামলা চালায়। এতে আমার নাক ও মুখে আঘাত লাগে।”
অন্যদিকে, উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তার দাবি, ওই গোষ্ঠীর কয়েকজন আগে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং আবারও সেসব পদ ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছেন।
উপাচার্য আরও জানান, আলোচনায় প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলা হলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় কেউ একজন ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। হাতাহাতির একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির দুই হাতের আঙুলে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় আরও তিনজন শিক্ষক আহত হন বলে উল্লেথ করেন তিনি।
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
সিকৃবিতে সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি দেখা গেছে। উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এসব বিষয়ে বিভক্ত মত তৈরি হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার দুপুর ১টার দিকে ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শিক্ষক সমিতির একাংশ নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিয়োগে অনিয়ম, পদোন্নতি বঞ্চিত করা এবং ক্ষমতার অপব্যাবহারের অভিযোগ তুলে আসছিলেন শিক্ষকদের একটি অংশ। এসব বিষয়ে আলোচনা করতে কৃষিবিদ্যা ও হাওর কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক উপাচার্যের কক্ষে যান। সেখানে উপাচার্যপন্থী শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার হওয়ার দাবি করে অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক বলেন, “প্রশাসনিক অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে গেলে উপাচার্য ও প্রক্টরের অনুসারীরা আমার ওপর হামলা চালায়। এতে আমার নাক ও মুখে আঘাত লাগে।”
অন্যদিকে, উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তার দাবি, ওই গোষ্ঠীর কয়েকজন আগে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং আবারও সেসব পদ ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছেন।
উপাচার্য আরও জানান, আলোচনায় প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলা হলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় কেউ একজন ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। হাতাহাতির একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির দুই হাতের আঙুলে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় আরও তিনজন শিক্ষক আহত হন বলে উল্লেথ করেন তিনি।
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
সিকৃবিতে সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি দেখা গেছে। উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এসব বিষয়ে বিভক্ত মত তৈরি হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।