চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদা এলাকায় গার্মেন্টসের স্টাফ বাসের চাপায় এক পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। গত রোববার রাতে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসা. নয়ন মনি ফরিদপুর জেলার পালং থানার বাসিন্দা। বর্তমানে পরিবারসহ মুগদা ভাড়া থাকতেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নয়ন মনি মাতুয়াইল এলাকার একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। রাতের শিফট শেষে স্টাফ বাসে করে মুগদা মেডিকেলের সামনে নামেন। পরে রাস্তা পারাপারের সময় একই বাসের চাপায় গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের স্বামী আব্দুল হামিদ বলেন, “গার্মেন্টস ছুটির পর স্টাফ বাসে করে সবাই মুগদায় নামে। রাস্তা পার হওয়ার সময় ওই বাসই আমার স্ত্রীকে চাপা দেয়। এতে তার মৃত্যু হয়।”
মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু তারেক (দিপু) জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর মুগদা এলাকায় গার্মেন্টসের স্টাফ বাসের চাপায় এক পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। গত রোববার রাতে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসা. নয়ন মনি ফরিদপুর জেলার পালং থানার বাসিন্দা। বর্তমানে পরিবারসহ মুগদা ভাড়া থাকতেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নয়ন মনি মাতুয়াইল এলাকার একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ছিলেন। রাতের শিফট শেষে স্টাফ বাসে করে মুগদা মেডিকেলের সামনে নামেন। পরে রাস্তা পারাপারের সময় একই বাসের চাপায় গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের স্বামী আব্দুল হামিদ বলেন, “গার্মেন্টস ছুটির পর স্টাফ বাসে করে সবাই মুগদায় নামে। রাস্তা পার হওয়ার সময় ওই বাসই আমার স্ত্রীকে চাপা দেয়। এতে তার মৃত্যু হয়।”
মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু তারেক (দিপু) জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।