চরচা প্রতিবেদক

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির আবেদনই করা হয়নি বলে দাবি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ যশোর কারাগারে আটক বন্দী সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বক্তব্য গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।
মন্ত্রণালয় বলছে, “স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বন্দী জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর কোনো আবেদন করা হয়নি। সাদ্দামের পারিবারের মৌখিক অভিপ্রায় অনুযায়ী যশোর জেলগেটে স্ত্রী ও সন্তানের লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়। মানবিক দিক বিবেচনা করে এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসন ও যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে।”
তারা আরও বলছে, “এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যশোর জেলা প্রশাসক বা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে মর্মে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করে, বিভিন্ন গণমাধ্যম সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার সমুন্নত রাখবে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির আবেদনই করা হয়নি বলে দাবি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ যশোর কারাগারে আটক বন্দী সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বক্তব্য গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।
মন্ত্রণালয় বলছে, “স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বন্দী জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর কোনো আবেদন করা হয়নি। সাদ্দামের পারিবারের মৌখিক অভিপ্রায় অনুযায়ী যশোর জেলগেটে স্ত্রী ও সন্তানের লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়। মানবিক দিক বিবেচনা করে এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসন ও যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে।”
তারা আরও বলছে, “এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যশোর জেলা প্রশাসক বা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে মর্মে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করে, বিভিন্ন গণমাধ্যম সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার সমুন্নত রাখবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।