চরচা ডেস্ক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ৩৪ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার সারাদিন এই অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছে ডিবি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা মিরপুর, রমনা, সাইবার, মতিঝিল, ওয়ারী, উত্তরা, তেজগাঁও, লালবাগ ও গুলশান বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানকালে ধরা পড়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্যরা রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, এই নেতা-কর্মীরা সম্প্রতি রাজধানীতে আকস্মিক ঝটিকা মিছিল আয়োজন, অর্থায়ন ও অংশগ্রহণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। তাদের পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও নাশকতা সৃষ্টি করা।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর, মতিঝিল, রমনা, গুলশান, তেজগাঁও, উত্তরা, লালবাগ ও অন্যান্য এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ করে সাইবার বিভাগ একাধিক অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে অর্থায়ন ও সংগঠনের প্রমাণ পায়।
ডিবির উপ–পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। রাজধানীতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ৩৪ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার সারাদিন এই অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছে ডিবি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা মিরপুর, রমনা, সাইবার, মতিঝিল, ওয়ারী, উত্তরা, তেজগাঁও, লালবাগ ও গুলশান বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানকালে ধরা পড়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্যরা রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, এই নেতা-কর্মীরা সম্প্রতি রাজধানীতে আকস্মিক ঝটিকা মিছিল আয়োজন, অর্থায়ন ও অংশগ্রহণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। তাদের পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও নাশকতা সৃষ্টি করা।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর, মতিঝিল, রমনা, গুলশান, তেজগাঁও, উত্তরা, লালবাগ ও অন্যান্য এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ করে সাইবার বিভাগ একাধিক অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে অর্থায়ন ও সংগঠনের প্রমাণ পায়।
ডিবির উপ–পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। রাজধানীতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।