চরচা প্রতিবেদক

স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ সংগঠন) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মানবিক বিবেচনায় এই আদেশ দেন।
গত শুক্রবার বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালী ও তার ৯ মাসের শিশুসন্তান নাজিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গত শনিবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে শেষবারের মতো স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখেন সাদ্দাম। মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে এই সুযোগ দেওয়া হয়। এরপর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়।
সাদ্দামের পরিবারের দাবি, তার প্যারোলে মুক্তির আবেদন করার পরও তা মঞ্জুর হয়নি।
তবে যশোর জেলা প্রশাসনের দাবি, সাদ্দামের পক্ষে প্যারোলে মুক্তির কোনো লিখিত আবেদনই করা হয়নি।পরিবারের মৌখিক ইচ্ছার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুততম সময়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ সংগঠন) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মানবিক বিবেচনায় এই আদেশ দেন।
গত শুক্রবার বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালী ও তার ৯ মাসের শিশুসন্তান নাজিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গত শনিবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে শেষবারের মতো স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখেন সাদ্দাম। মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে এই সুযোগ দেওয়া হয়। এরপর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়।
সাদ্দামের পরিবারের দাবি, তার প্যারোলে মুক্তির আবেদন করার পরও তা মঞ্জুর হয়নি।
তবে যশোর জেলা প্রশাসনের দাবি, সাদ্দামের পক্ষে প্যারোলে মুক্তির কোনো লিখিত আবেদনই করা হয়নি।পরিবারের মৌখিক ইচ্ছার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুততম সময়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।