চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ঝোপঝাড়ের ভিতর থেকে চারটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র্যাব–১০।
গতকাল সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে হুজুরপাড়া ঈদগাহ সংলগ্ন খাগাইল ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব–১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার এসব তথ্য জানান।
উদ্ধার করা গ্রেনেড চারটির মধ্যে দুটি সাউন্ড গ্রেনেড এবং দুটি টি–আর গ্যাস গ্রেনেড বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে বিপুল অস্ত্র–গোলাবারুদ লুট করে। এসব অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে। আর তাই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশনায় সব বাহিনীকে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে তারা।
র্যাব–১০ এর সিপিএসসি লালবাগ ক্যাম্পের একটি বিশেষ টিম শনিবার রাতের অভিযানটি পরিচালনা করে। তারা ঝোপের ভিতর পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেডগুলো খুঁজে পায়। পরে সেগুলো উদ্ধার করে।
র্যাব জানায়, এই অভিযান প্রমাণ করে রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো অপচেষ্টা ঠেকাতে তারা ’জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ঝোপঝাড়ের ভিতর থেকে চারটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র্যাব–১০।
গতকাল সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে হুজুরপাড়া ঈদগাহ সংলগ্ন খাগাইল ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব–১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার এসব তথ্য জানান।
উদ্ধার করা গ্রেনেড চারটির মধ্যে দুটি সাউন্ড গ্রেনেড এবং দুটি টি–আর গ্যাস গ্রেনেড বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে বিপুল অস্ত্র–গোলাবারুদ লুট করে। এসব অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে। আর তাই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশনায় সব বাহিনীকে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে তারা।
র্যাব–১০ এর সিপিএসসি লালবাগ ক্যাম্পের একটি বিশেষ টিম শনিবার রাতের অভিযানটি পরিচালনা করে। তারা ঝোপের ভিতর পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেডগুলো খুঁজে পায়। পরে সেগুলো উদ্ধার করে।
র্যাব জানায়, এই অভিযান প্রমাণ করে রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো অপচেষ্টা ঠেকাতে তারা ’জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।