চরচা ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ৯ দিনের জন্য বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
শনিবার পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
উপদেষ্টা বলেন, ‘’নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের দিন এবং ভোটের পর তিন দিন–মোট নয় দিন কঠোর নিরাপত্তা বলয় কার্যকর থাকবে। দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী এ সময়সীমা বাড়ানোও হতে পারে।‘’
তিনি জানান, বর্তমানে সেনাবাহিনীর ৩০ হাজার সদস্য মাঠে থাকলেও নির্বাচন সামনে রেখে এই সংখ্যা প্রায় এক লাখে উন্নীত করা হবে। এ ছাড়া বিজিবির ৩৫ হাজার, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার এবং কোস্টগার্ডের চার হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবও প্রায় আট হাজার সদস্য নিয়ে নিরাপত্তায় অংশ নেবে।
এবার নির্বাচনে আনসার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা জানান, প্রায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার আনসার সদস্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় কাজ করবেন। তাদের অস্ত্র ও বডিক্যাম সরবরাহ করা হবে, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর হয়।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহের কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।”
সরকার পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো ব্যক্তি বিশেষের কারণে হয়নি; বরং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলেই পরিবর্তন এসেছে।
মতবিনিময় শেষে তিনি পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড স্টেশন পরিদর্শন করেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ৯ দিনের জন্য বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
শনিবার পটুয়াখালী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
উপদেষ্টা বলেন, ‘’নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের দিন এবং ভোটের পর তিন দিন–মোট নয় দিন কঠোর নিরাপত্তা বলয় কার্যকর থাকবে। দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী এ সময়সীমা বাড়ানোও হতে পারে।‘’
তিনি জানান, বর্তমানে সেনাবাহিনীর ৩০ হাজার সদস্য মাঠে থাকলেও নির্বাচন সামনে রেখে এই সংখ্যা প্রায় এক লাখে উন্নীত করা হবে। এ ছাড়া বিজিবির ৩৫ হাজার, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার এবং কোস্টগার্ডের চার হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবও প্রায় আট হাজার সদস্য নিয়ে নিরাপত্তায় অংশ নেবে।
এবার নির্বাচনে আনসার বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা জানান, প্রায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার আনসার সদস্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় কাজ করবেন। তাদের অস্ত্র ও বডিক্যাম সরবরাহ করা হবে, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর হয়।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহের কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।”
সরকার পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো ব্যক্তি বিশেষের কারণে হয়নি; বরং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলেই পরিবর্তন এসেছে।
মতবিনিময় শেষে তিনি পটুয়াখালী পুলিশ লাইনস ও কোস্টগার্ড স্টেশন পরিদর্শন করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।