চরচা প্রতিবেদক

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা চারজন জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। আজ বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রের বাদরপাথর এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়।
গত বুধবার মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সেন্টমার্টিন থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে সাগরে রওনা হন চার জেলে। ছেঁড়াদ্বীপ পার হওয়ার কিছু দূর পর হঠাৎ নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নৌকাটি উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকে। জেলেরা জানান, মাঝপথে কয়েকটি ট্রলার দেখলেও কুয়াশা আর দূরত্বের কারণে কেউ তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।
টানা ১২ ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ইদ্রিস নামে এক জেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য চান। কলটি গ্রহণ করেন কনস্টেবল নাঈম ইসলাম এবং দ্রুত কোস্টগার্ডের সাথে সমন্বয় করেন এসআই সাব্বির আহমেদ নিক্সন।
খবর পেয়ে সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের একটি দল উদ্ধার অভিযানে নামে। ছেঁড়াদ্বীপ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্র থেকে জেলেদের উদ্ধার করা হয়।
সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের পেটি-অফিসার মোস্তাফিজ মামুন ৯৯৯-কে জেলেদের নিরাপদে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা চারজন জেলেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। আজ বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রের বাদরপাথর এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়।
গত বুধবার মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সেন্টমার্টিন থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে সাগরে রওনা হন চার জেলে। ছেঁড়াদ্বীপ পার হওয়ার কিছু দূর পর হঠাৎ নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নৌকাটি উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকে। জেলেরা জানান, মাঝপথে কয়েকটি ট্রলার দেখলেও কুয়াশা আর দূরত্বের কারণে কেউ তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।
টানা ১২ ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ইদ্রিস নামে এক জেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য চান। কলটি গ্রহণ করেন কনস্টেবল নাঈম ইসলাম এবং দ্রুত কোস্টগার্ডের সাথে সমন্বয় করেন এসআই সাব্বির আহমেদ নিক্সন।
খবর পেয়ে সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের একটি দল উদ্ধার অভিযানে নামে। ছেঁড়াদ্বীপ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্র থেকে জেলেদের উদ্ধার করা হয়।
সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের পেটি-অফিসার মোস্তাফিজ মামুন ৯৯৯-কে জেলেদের নিরাপদে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।