চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এক আদেশে এ কথা বলা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগসমূহ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনার লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।”
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-১) কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রেস-১)। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন–তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়, “কমিটি অভিযোগের বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত শেষে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হিসেবে দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এক আদেশে এ কথা বলা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, “সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগসমূহ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনার লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।”
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড-১) কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রেস-১)। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন–তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়, “কমিটি অভিযোগের বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করবে, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত শেষে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হিসেবে দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।