চরচা ডেস্ক

ফেনীতে বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন। আজ রোববার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুল ইসলাম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী-রামপুর এলাকায় চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি লেনে সেতুর সংস্কার কাজ চলছিল। একটি অ্যাম্বুলেন্স ধীর গতিতে সেতুটির আগের স্পিড ব্রেকার পার হচ্ছিল। এ সময় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস অ্যাম্বুলেন্সটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।
এ ঘটনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্স-চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পেছনে মোটরসাইকেল ও আরও কিছু বাসের জট লেগে যায়। কিছুক্ষণ পর বেপরোয়া গতিতে আসা দোয়েল পরিবহনের একটি বাস জটলার মধ্যে ধাক্কা দেয়।
এতে একজন মোটরসাইকেল আরোহী, বাসের সুপারভাইজার ও একজন যাত্রী নিহত হন। আহত হন আরও পাঁচজন।
ওসি আসাদুল ইসলাম আরও জানান, নিহতদের মরদেহ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কারও নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

ফেনীতে বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন। আজ রোববার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুল ইসলাম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী-রামপুর এলাকায় চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি লেনে সেতুর সংস্কার কাজ চলছিল। একটি অ্যাম্বুলেন্স ধীর গতিতে সেতুটির আগের স্পিড ব্রেকার পার হচ্ছিল। এ সময় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস অ্যাম্বুলেন্সটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।
এ ঘটনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্স-চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পেছনে মোটরসাইকেল ও আরও কিছু বাসের জট লেগে যায়। কিছুক্ষণ পর বেপরোয়া গতিতে আসা দোয়েল পরিবহনের একটি বাস জটলার মধ্যে ধাক্কা দেয়।
এতে একজন মোটরসাইকেল আরোহী, বাসের সুপারভাইজার ও একজন যাত্রী নিহত হন। আহত হন আরও পাঁচজন।
ওসি আসাদুল ইসলাম আরও জানান, নিহতদের মরদেহ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কারও নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।