চরচা ডেস্ক

দেশে মাদক ব্যবহার প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও বৈজ্ঞানিক ও পেশাদারত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাবস্ট্যান্স ইউজ প্রোফেশনালসের (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শ্যামলীতে এই প্ল্যাটফর্মটির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মেম্বার সেক্রেটারি ইকবাল মাসুদ বলেন, “মাদক কেবল সামাজিক সমস্যা নয়, এটি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় জরুরি। আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এখন থেকে পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান বিনিময়ের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।"
ইকবাল মাসুদ আরও বলেন, “২০১৫ সাল থেকে বৈশ্বিক পর্যায়ে এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশে চ্যাপ্টার চালুর স্বীকৃতি পাওয়া ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের জন্য একটি বড় অর্জন।”
অনুষ্ঠানে আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের লোগো উন্মোচন এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করে জানান, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশে মাদক নির্মূল নয়, বরং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহিত কামাল, মো. বাহাউদ্দীন, অধ্যাপক গোলাম রহমান, আবু তাহের, জাহাঙ্গীর আলম, ওলহা মাইশাকিভস্কা প্রমুখ।

দেশে মাদক ব্যবহার প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও বৈজ্ঞানিক ও পেশাদারত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাবস্ট্যান্স ইউজ প্রোফেশনালসের (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শ্যামলীতে এই প্ল্যাটফর্মটির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মেম্বার সেক্রেটারি ইকবাল মাসুদ বলেন, “মাদক কেবল সামাজিক সমস্যা নয়, এটি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় জরুরি। আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এখন থেকে পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান বিনিময়ের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।"
ইকবাল মাসুদ আরও বলেন, “২০১৫ সাল থেকে বৈশ্বিক পর্যায়ে এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশে চ্যাপ্টার চালুর স্বীকৃতি পাওয়া ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের জন্য একটি বড় অর্জন।”
অনুষ্ঠানে আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের লোগো উন্মোচন এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করে জানান, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশে মাদক নির্মূল নয়, বরং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহিত কামাল, মো. বাহাউদ্দীন, অধ্যাপক গোলাম রহমান, আবু তাহের, জাহাঙ্গীর আলম, ওলহা মাইশাকিভস্কা প্রমুখ।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।