চরচা ডেস্ক

আসন্ন গণভোটে শিক্ষার্থীদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ে এই প্রচারণা চালানো হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ বলেন, “এবারের গণভোট কেবল একটি নির্বাচন নয়, বরং এটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।”
আলী রীয়াজ আরও বলেন, “একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায়ের কোনো বিকল্প নেই।”
‘পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ’ শিরোনামে বিশেষ লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে গণভোটের ওপর নির্মিত ডকুমেন্টারি, ভিডিও ক্লিপ ও গান প্রকাশ করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যানার, ফেস্টুন ও স্টিকার প্রদর্শনী আয়োজন করা হবে।

আসন্ন গণভোটে শিক্ষার্থীদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ে এই প্রচারণা চালানো হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ বলেন, “এবারের গণভোট কেবল একটি নির্বাচন নয়, বরং এটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।”
আলী রীয়াজ আরও বলেন, “একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায়ের কোনো বিকল্প নেই।”
‘পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ’ শিরোনামে বিশেষ লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে গণভোটের ওপর নির্মিত ডকুমেন্টারি, ভিডিও ক্লিপ ও গান প্রকাশ করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যানার, ফেস্টুন ও স্টিকার প্রদর্শনী আয়োজন করা হবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।