চরচা ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলার কারণে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির আর কোনো সক্ষমতা নেই।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘আমরা বিজয়ী হচ্ছি, আর ইরান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত ব্যাপক মাত্রায় দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং তা পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে।’’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম বানানো হয়, আমরা এখন সেই কারখানাগুলো ধ্বংস করছি। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম কারখানাগুলোও আমরা গুঁড়িয়ে দিচ্ছি।’’

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলার কারণে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির আর কোনো সক্ষমতা নেই।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘আমরা বিজয়ী হচ্ছি, আর ইরান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত ব্যাপক মাত্রায় দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে এবং তা পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে।’’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম বানানো হয়, আমরা এখন সেই কারখানাগুলো ধ্বংস করছি। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম কারখানাগুলোও আমরা গুঁড়িয়ে দিচ্ছি।’’

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।