চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর নিউমার্কেট থানাধীন পিলখানা বিজিবি সদর দপ্তরের অফিসার্স কোয়ার্টারের একটি বাথরুম থেকে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলের দিকে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত হালিমা কামরাঙ্গীরচর থানার বাসিন্দা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিউমার্কেট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মারুফ হোসেন জানান, দুপুরের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ পিলখানা সদর দপ্তরের অফিসার্স কোয়ার্টারের একটি বাসায় যায়। সেখানে বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভেন্টিলেটরের লোহার রডের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই আরও জানান, শরিফুল ইসলাম নামে এক সিভিল অফিসারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত হালিমা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুপুর ২টার দিকে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর নিউমার্কেট থানাধীন পিলখানা বিজিবি সদর দপ্তরের অফিসার্স কোয়ার্টারের একটি বাথরুম থেকে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলের দিকে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত হালিমা কামরাঙ্গীরচর থানার বাসিন্দা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিউমার্কেট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মারুফ হোসেন জানান, দুপুরের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ পিলখানা সদর দপ্তরের অফিসার্স কোয়ার্টারের একটি বাসায় যায়। সেখানে বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভেন্টিলেটরের লোহার রডের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই আরও জানান, শরিফুল ইসলাম নামে এক সিভিল অফিসারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত হালিমা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুপুর ২টার দিকে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।