চরচা ডেস্ক

বৃহস্পতিবারের রাতটা ছিল অন্যরকম। ওরিয়ন ক্যাপসুলের ছোট জানালার ওপাশে তখন আদিগন্ত নীল রঙের এক গোলক। যে ধুলিকণায় আমাদের সব আনন্দ, সব বেদনা—সেই পৃথিবী থেকে তখন ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন চারজন মহাকাশচারী।
পৃথিবী থেকে ৪৩ হাজার মাইল দূরে যখন ওরিয়ন পৌঁছাল, তখন থেকেই শুরু হলো আসল রোমাঞ্চ। মহাকাশচারীরা তাদের ক্যামেরার লেন্স তাক করলেন পেছনের দিকে। দেখলেন, নিচের নীল সাগরে মেঘের ভেলাগুলো ভাসছে এক অদ্ভুত শান্তিতে। কয়েক ঘণ্টা আগেই যেখানে তারা পরিবারের সাথে ডিনার করেছিলেন, সেই বাড়ি, সেই শহর এখন মহাকাশের এক বিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ক্যামেরার লেন্স পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা বারবার ফিরে দেখছিলেন সেই চিরচেনা পৃথিবীকে। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চাঁদের দিকে ধাবিত হওয়ার এই মুহূর্তটি ছিল একাধারে আনন্দ আর কিছুটা বিষণ্ণতার। কারণ, ওই নীল গ্রহটিই তাদের একমাত্র ঘর, যা এখন কেবল একটি আলোকবিন্দুতে পরিণত হতে চলেছে।
১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩-এর মহাকাশচারীরা শেষবার এই দূরত্ব থেকে পৃথিবীকে দেখেছিলেন। দীর্ঘ ৫৬ বছর পর আর্টেমিস ২-এর ক্রুরা সেই রেকর্ড ভাঙতে চলছেন।
রোববার যখন তারা চাঁদের অভিকর্ষ বলের মধ্যে ঢুকে পড়বেন, তখন পৃথিবী হয়ে যাবে এক নিঃসঙ্গ নক্ষত্রের মতো। এরই মধ্যে বেশকিছু ছবিও শেয়ার করেছে নাসা। তাদের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে বিস্তারিত।
আমরা যখন পৃথিবীর বুকে নিজের সীমানা নিয়ে লড়ছি, তখন ওই চারজন মহাকাশচারী দেখছেন এক সীমানাহীন অখণ্ড সুন্দর গ্রহকে। তারা এগিয়ে যাচ্ছেন চাঁদের দিকে, কিন্তু তাদের মন পড়ে আছে ওই নীল ধুলিকণায়। আর্টেমিস ২-এর এই যাত্রা কেবল চাঁদে যাওয়া নয়, বরং আয়নার মতো দূর থেকে নিজেকে আরও একবার চেনার নাম।
আমাদের পৃথিবী, আমাদের ঘর।

বৃহস্পতিবারের রাতটা ছিল অন্যরকম। ওরিয়ন ক্যাপসুলের ছোট জানালার ওপাশে তখন আদিগন্ত নীল রঙের এক গোলক। যে ধুলিকণায় আমাদের সব আনন্দ, সব বেদনা—সেই পৃথিবী থেকে তখন ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন চারজন মহাকাশচারী।
পৃথিবী থেকে ৪৩ হাজার মাইল দূরে যখন ওরিয়ন পৌঁছাল, তখন থেকেই শুরু হলো আসল রোমাঞ্চ। মহাকাশচারীরা তাদের ক্যামেরার লেন্স তাক করলেন পেছনের দিকে। দেখলেন, নিচের নীল সাগরে মেঘের ভেলাগুলো ভাসছে এক অদ্ভুত শান্তিতে। কয়েক ঘণ্টা আগেই যেখানে তারা পরিবারের সাথে ডিনার করেছিলেন, সেই বাড়ি, সেই শহর এখন মহাকাশের এক বিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ক্যামেরার লেন্স পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা বারবার ফিরে দেখছিলেন সেই চিরচেনা পৃথিবীকে। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চাঁদের দিকে ধাবিত হওয়ার এই মুহূর্তটি ছিল একাধারে আনন্দ আর কিছুটা বিষণ্ণতার। কারণ, ওই নীল গ্রহটিই তাদের একমাত্র ঘর, যা এখন কেবল একটি আলোকবিন্দুতে পরিণত হতে চলেছে।
১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩-এর মহাকাশচারীরা শেষবার এই দূরত্ব থেকে পৃথিবীকে দেখেছিলেন। দীর্ঘ ৫৬ বছর পর আর্টেমিস ২-এর ক্রুরা সেই রেকর্ড ভাঙতে চলছেন।
রোববার যখন তারা চাঁদের অভিকর্ষ বলের মধ্যে ঢুকে পড়বেন, তখন পৃথিবী হয়ে যাবে এক নিঃসঙ্গ নক্ষত্রের মতো। এরই মধ্যে বেশকিছু ছবিও শেয়ার করেছে নাসা। তাদের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে বিস্তারিত।
আমরা যখন পৃথিবীর বুকে নিজের সীমানা নিয়ে লড়ছি, তখন ওই চারজন মহাকাশচারী দেখছেন এক সীমানাহীন অখণ্ড সুন্দর গ্রহকে। তারা এগিয়ে যাচ্ছেন চাঁদের দিকে, কিন্তু তাদের মন পড়ে আছে ওই নীল ধুলিকণায়। আর্টেমিস ২-এর এই যাত্রা কেবল চাঁদে যাওয়া নয়, বরং আয়নার মতো দূর থেকে নিজেকে আরও একবার চেনার নাম।
আমাদের পৃথিবী, আমাদের ঘর।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।