চরচা প্রতিবেদক

কড়াইল বস্তির আগুনে অন্তত ১ হাজার ৫০০ ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। সংস্থাটি বলছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত বড় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেসময় তিনি এসব তথ্য জানান। তাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ৩৫ মিনিট। কারণ বিকেলে অফিস ছুটির যানজট ও সরু সড়ক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগে। ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘‘আগুনের খবর পাই বিকাল ৫টা ২২ মিনিটে। কাছের তিনটি স্টেশন একসঙ্গে রওনা হয়। কিন্তু রাস্তায় তীব্র জ্যাম এবং বস্তির সরু গলি দিয়ে বড় ফায়ার টেন্ডার ঢুকতে পারেনি। অনেক দূর থেকে লাইন টেনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে হয়েছে। আমরা পৌঁছানোর আগেই আগুন ডেভেলপড স্টেজে চলে যায়।”
তাজুল জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ধারণা— অন্তত ১ হাজার ৫০০ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সার্চ অপারেশন শেষে সঠিক সংখ্যা জানা যাবে। তিনি জানান, বড় কোনো হতাহতের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ছোটোখাটো আহতের ঘটনা থাকতে পারে।
বস্তিতে এলোমেলো বৈদ্যুতিক তার এবং প্রতিটি ঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার— দুটোই আগুনের উৎস হতে পারে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আগুনের কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
পরিচালক বলেন, ‘‘আমরা পর্যাপ্ত পানি পেয়েছি। আমাদের নিজস্ব পানিবাহী গাড়ি ছিল। ওয়াসাও সহায়তা করেছে। প্রয়োজনে ড্রেন থেকেও পানি নিতে হয়েছে।” সহযোগিতায় ছিল— পুলিশ, আনসার, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, রেড ক্রিসেন্ট এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ— হেলিকপ্টার দিয়ে পানি নিক্ষেপ করলে আগুন দ্রুত নেভানো যেত। এর জবাবে পরিচালক বলেন, “এটি আরবান ফায়ার ফাইটিং। এখানে হেলিকপ্টার হোভার করলে বাতাসের চাপ আগুনকে আরও ছড়িয়ে দিত। এতে ক্ষতি আরও বাড়ত। ওয়ার্ল্ড-ফায়ারের মতো পরিস্থিতি এখানে ছিল না।”
বাঁশ-কাঠের ঘর হওয়ায় আগুন ছড়ায় দ্রুত ছড়ায় জানিয়ে তিনি বলেন, “বাঁশ–কাঠের ঘরগুলো শুষ্ক মৌসুমে আরও বেশি দাহ্য হয়ে ওঠে। এ সময়কে আমরা আগুনের সিজন বলি।”
প্রশিক্ষণ ও মহড়া বড় কাজে দিয়েছে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, “যদি মহড়া না করতাম, দুই-তিন ঘণ্টা বেশি লাগত।” ঘটনার কয়েকদিন আগে ফায়ার সার্ভিস কড়াইল এলাকায় মহড়া করেছিল, তা কাজে এসেছে বলেও জানান তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

কড়াইল বস্তির আগুনে অন্তত ১ হাজার ৫০০ ঘর পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। সংস্থাটি বলছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত বড় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেসময় তিনি এসব তথ্য জানান। তাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ৩৫ মিনিট। কারণ বিকেলে অফিস ছুটির যানজট ও সরু সড়ক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগে। ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘‘আগুনের খবর পাই বিকাল ৫টা ২২ মিনিটে। কাছের তিনটি স্টেশন একসঙ্গে রওনা হয়। কিন্তু রাস্তায় তীব্র জ্যাম এবং বস্তির সরু গলি দিয়ে বড় ফায়ার টেন্ডার ঢুকতে পারেনি। অনেক দূর থেকে লাইন টেনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে হয়েছে। আমরা পৌঁছানোর আগেই আগুন ডেভেলপড স্টেজে চলে যায়।”
তাজুল জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ধারণা— অন্তত ১ হাজার ৫০০ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সার্চ অপারেশন শেষে সঠিক সংখ্যা জানা যাবে। তিনি জানান, বড় কোনো হতাহতের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। তবে ছোটোখাটো আহতের ঘটনা থাকতে পারে।
বস্তিতে এলোমেলো বৈদ্যুতিক তার এবং প্রতিটি ঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার— দুটোই আগুনের উৎস হতে পারে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আগুনের কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
পরিচালক বলেন, ‘‘আমরা পর্যাপ্ত পানি পেয়েছি। আমাদের নিজস্ব পানিবাহী গাড়ি ছিল। ওয়াসাও সহায়তা করেছে। প্রয়োজনে ড্রেন থেকেও পানি নিতে হয়েছে।” সহযোগিতায় ছিল— পুলিশ, আনসার, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, রেড ক্রিসেন্ট এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ— হেলিকপ্টার দিয়ে পানি নিক্ষেপ করলে আগুন দ্রুত নেভানো যেত। এর জবাবে পরিচালক বলেন, “এটি আরবান ফায়ার ফাইটিং। এখানে হেলিকপ্টার হোভার করলে বাতাসের চাপ আগুনকে আরও ছড়িয়ে দিত। এতে ক্ষতি আরও বাড়ত। ওয়ার্ল্ড-ফায়ারের মতো পরিস্থিতি এখানে ছিল না।”
বাঁশ-কাঠের ঘর হওয়ায় আগুন ছড়ায় দ্রুত ছড়ায় জানিয়ে তিনি বলেন, “বাঁশ–কাঠের ঘরগুলো শুষ্ক মৌসুমে আরও বেশি দাহ্য হয়ে ওঠে। এ সময়কে আমরা আগুনের সিজন বলি।”
প্রশিক্ষণ ও মহড়া বড় কাজে দিয়েছে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, “যদি মহড়া না করতাম, দুই-তিন ঘণ্টা বেশি লাগত।” ঘটনার কয়েকদিন আগে ফায়ার সার্ভিস কড়াইল এলাকায় মহড়া করেছিল, তা কাজে এসেছে বলেও জানান তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।