চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ বুধবার ডিএমপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন করে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন–মো. জাকির হোসেন শান্ত (২৯), মো. স্বপন মন্ডল (৩০) ও নিয়াজ মাহমুদ ফারহান (২১)।
কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) জানায়, গতকাল মঙ্গলবার রমনার বেইলি রোড এলাকা থেকে জাকিরকে এবং বুধবার রাত ১২টার পর গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল্লাহপুর মোড় থেকে স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে, ডিবি সাইবার উত্তর বিভাগের একটি টিম ভোলার বোরহানউদ্দিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই নিয়াজ মাহমুদ ফারহানকে আটক করে।
ডিএমপি জানায়, ১৮ ডিসেম্বর রাতে দুই পত্রিকা কার্যালয়ে হামলার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনাক্তদের গ্রেপ্তারে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে ডিএমপি।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

রাজধানীর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ বুধবার ডিএমপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন করে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন–মো. জাকির হোসেন শান্ত (২৯), মো. স্বপন মন্ডল (৩০) ও নিয়াজ মাহমুদ ফারহান (২১)।
কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) জানায়, গতকাল মঙ্গলবার রমনার বেইলি রোড এলাকা থেকে জাকিরকে এবং বুধবার রাত ১২টার পর গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল্লাহপুর মোড় থেকে স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে, ডিবি সাইবার উত্তর বিভাগের একটি টিম ভোলার বোরহানউদ্দিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই নিয়াজ মাহমুদ ফারহানকে আটক করে।
ডিএমপি জানায়, ১৮ ডিসেম্বর রাতে দুই পত্রিকা কার্যালয়ে হামলার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনাক্তদের গ্রেপ্তারে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে ডিএমপি।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।