চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় খাঁচা থেকে বেরিয়ে যাওয়া ‘ডেইজি’ নামের স্ত্রী সিংহটিকে নিরাপদে খাঁচায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
এর আগে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সিংহটি খাঁচা থেকে বের হয়ে পড়ে। বিষয়টি বুঝতে পারার পর দ্রুত চিড়িয়াখানা এলাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘’সিংহটি চিড়িয়াখানার বাইরের কোনো এলাকায় যায়নি, ভেতরেই ছিল। পরে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে সিংহটিকে অচেতন করা হয় এবং নিরাপদে খাঁচায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।‘’
তিনি আরও বলেন, ’’ডেইজি মঠ অঞ্চল থেকে বের হয়েছিল, তবে ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই। তাৎক্ষণিক ও পরিকল্পিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তদন্ত করে খাঁচার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।’’

রাজধানীর মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় খাঁচা থেকে বেরিয়ে যাওয়া ‘ডেইজি’ নামের স্ত্রী সিংহটিকে নিরাপদে খাঁচায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
এর আগে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সিংহটি খাঁচা থেকে বের হয়ে পড়ে। বিষয়টি বুঝতে পারার পর দ্রুত চিড়িয়াখানা এলাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘’সিংহটি চিড়িয়াখানার বাইরের কোনো এলাকায় যায়নি, ভেতরেই ছিল। পরে সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে সিংহটিকে অচেতন করা হয় এবং নিরাপদে খাঁচায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।‘’
তিনি আরও বলেন, ’’ডেইজি মঠ অঞ্চল থেকে বের হয়েছিল, তবে ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই। তাৎক্ষণিক ও পরিকল্পিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তদন্ত করে খাঁচার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।’’

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।