চরচা ডেস্ক

দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে কোনো শিক্ষার্থী বা বহিরাগত অনুষদ অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারবেন না।
আজ রোববার চারুকলা অনুষদের চেয়ারম্যানবৃন্দের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ প্রয়োজনে বর্তমান কোনো শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কাজে বিভাগে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের অনুমতি নিতে হবে এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দ্রুত অনুষদ ত্যাগ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাত ৮টার পর কোনোভাবেই বা কোনো কারণে অনুষদ অভ্যন্তরে প্রবেশ করা যাবে না।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জরুরি পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ভূমিকম্পের ঝুঁকির কারণেও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে কোনো শিক্ষার্থী বা বহিরাগত অনুষদ অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারবেন না।
আজ রোববার চারুকলা অনুষদের চেয়ারম্যানবৃন্দের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা যায়।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ প্রয়োজনে বর্তমান কোনো শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কাজে বিভাগে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের অনুমতি নিতে হবে এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দ্রুত অনুষদ ত্যাগ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাত ৮টার পর কোনোভাবেই বা কোনো কারণে অনুষদ অভ্যন্তরে প্রবেশ করা যাবে না।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জরুরি পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ভূমিকম্পের ঝুঁকির কারণেও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।