চরচা প্রতিবেদক

দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ।
দাবির বিষয়ে বিকেলে সচিবালয়ে অর্থ সচিব ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের শিক্ষক প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রজ্ঞাপন ছাড়া বৈঠকে কোনো ধরনের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান শিক্ষক নেতারা। এছাড়া শনিবার শিক্ষকদের উপর হামলার সুষ্ঠুর বিচারের দাবি জানান তারা।
গতকাল রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধিদের বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। বৈঠক শেষে কর্মবিরতি স্থগিত করলেও, রাতে আবার কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়।
তিন দাবিতে শনিবার সকাল থেকে শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকরা। ওইদিন বিকেলে তারা ‘কলম বিরতি কর্মসূচি’ পালনে মিছিল নিয়ে শাহাবাগের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে শাহবাগ থানার সামনে তাদের আটকে দেয় পুলিশ।
এ সময় পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, লাঠি চার্জ, কাঁদুনে গ্যাসে কর্মসূচি ভেস্তে যায় শিক্ষকদের।
এ সময় দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পাশাপাশি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন শিক্ষক নেতারা।
যদিও পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে একটি দল ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড় পার হয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
বাধার মুখে শহীদ মিনারে ফিরে এসে রোববার থেকে কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা।
‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি শিক্ষক সংগঠনের মোর্চার ব্যানারে শিক্ষকরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালাচ্ছেন।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (কাশেম-শাহিন), বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (শাহিন-লিপি), বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি ও সহকারী শিক্ষক দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ এ মোর্চায় আছে।

দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ।
দাবির বিষয়ে বিকেলে সচিবালয়ে অর্থ সচিব ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের শিক্ষক প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রজ্ঞাপন ছাড়া বৈঠকে কোনো ধরনের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান শিক্ষক নেতারা। এছাড়া শনিবার শিক্ষকদের উপর হামলার সুষ্ঠুর বিচারের দাবি জানান তারা।
গতকাল রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধিদের বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। বৈঠক শেষে কর্মবিরতি স্থগিত করলেও, রাতে আবার কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়।
তিন দাবিতে শনিবার সকাল থেকে শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকরা। ওইদিন বিকেলে তারা ‘কলম বিরতি কর্মসূচি’ পালনে মিছিল নিয়ে শাহাবাগের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে শাহবাগ থানার সামনে তাদের আটকে দেয় পুলিশ।
এ সময় পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, লাঠি চার্জ, কাঁদুনে গ্যাসে কর্মসূচি ভেস্তে যায় শিক্ষকদের।
এ সময় দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হওয়ার পাশাপাশি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন শিক্ষক নেতারা।
যদিও পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে একটি দল ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড় পার হয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
বাধার মুখে শহীদ মিনারে ফিরে এসে রোববার থেকে কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা।
‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি শিক্ষক সংগঠনের মোর্চার ব্যানারে শিক্ষকরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালাচ্ছেন।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (কাশেম-শাহিন), বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (শাহিন-লিপি), বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি ও সহকারী শিক্ষক দশম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ এ মোর্চায় আছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।