চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে মিছিলটি বের করা হয়।
মিছিলে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বলেন, “একটি মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। এরই অংশ হিসেবে হাদির ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।”
ছাত্রশিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই ষড়যন্ত্রকারীদের শ্বাসরুদ্ধ করে দেব। হাদির কিছু হলে আমরা নীরব থাকবো না। কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির প্রভাব আর মেনে নেওয়া হবে না।”
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, “ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ওসমান হাদির ওপর হামলা দেশের জন্য অশনি সংকেত। আমরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই।”

ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে মিছিলটি বের করা হয়।
মিছিলে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বলেন, “একটি মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। এরই অংশ হিসেবে হাদির ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।”
ছাত্রশিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই ষড়যন্ত্রকারীদের শ্বাসরুদ্ধ করে দেব। হাদির কিছু হলে আমরা নীরব থাকবো না। কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির প্রভাব আর মেনে নেওয়া হবে না।”
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, “ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ওসমান হাদির ওপর হামলা দেশের জন্য অশনি সংকেত। আমরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।