চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মগবাজারে ফ্লাইওভারের ওপর থেকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সিয়াম (২১) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে মুক্তিযোদ্ধা গলির সামনে ফ্লাইওভারের নিচে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সিয়ামের গ্রামের বাড়ি খুলনা জেলায় এবং তিনি মগবাজারের একটি ডেকোরেটর দোকানে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ফ্লাইওভারের ওপর থেকে দুর্বৃত্তরা বোমা ছুড়ে মারলে নিচে হাঁটতে থাকা সিয়ামের মাথায় পড়ে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শী মিজান বলেন, ”সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হঠাৎ করে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে সবাই চিৎকার দিকে থাকে। সামনে গিয়ে দেখা যায়, এক পথচারী রাস্তায় পড়ে আছে। তার মাথার খুলি আলাদা হয়ে গেছে।“
হাতিরঝিল থানার ওসি গোলাম মর্তুজা জানান, প্রাথমিকভাবে ককটেল জাতীয় বোমা বিস্ফোরণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি পরিকল্পিত নাশকতা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

রাজধানীর মগবাজারে ফ্লাইওভারের ওপর থেকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সিয়াম (২১) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে মুক্তিযোদ্ধা গলির সামনে ফ্লাইওভারের নিচে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সিয়ামের গ্রামের বাড়ি খুলনা জেলায় এবং তিনি মগবাজারের একটি ডেকোরেটর দোকানে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ফ্লাইওভারের ওপর থেকে দুর্বৃত্তরা বোমা ছুড়ে মারলে নিচে হাঁটতে থাকা সিয়ামের মাথায় পড়ে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শী মিজান বলেন, ”সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হঠাৎ করে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে সবাই চিৎকার দিকে থাকে। সামনে গিয়ে দেখা যায়, এক পথচারী রাস্তায় পড়ে আছে। তার মাথার খুলি আলাদা হয়ে গেছে।“
হাতিরঝিল থানার ওসি গোলাম মর্তুজা জানান, প্রাথমিকভাবে ককটেল জাতীয় বোমা বিস্ফোরণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি পরিকল্পিত নাশকতা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।