চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার লক্ষ্যে সৌদি আরব সফর করছেন চীনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত ঝাই জুন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের বিশেষ দূত বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবিরত চেষ্টা চালাতে রিয়াদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং।
চীনকে রিয়াদের ভালো বন্ধু ও অংশীদার বলে বর্ণনা করেন ঝাই জুন। সফরকালে তিনি সৌদির আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ঝাই জুন বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। নিরীহ বেসামরিক মানুষ ও লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনো হামলার নিন্দা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এ সময় চলমান সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার বিষয়ে বেইজিংয়ের আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন ঝাই জুন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতার লক্ষ্যে সৌদি আরব সফর করছেন চীনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত ঝাই জুন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের বিশেষ দূত বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবিরত চেষ্টা চালাতে রিয়াদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং।
চীনকে রিয়াদের ভালো বন্ধু ও অংশীদার বলে বর্ণনা করেন ঝাই জুন। সফরকালে তিনি সৌদির আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ঝাই জুন বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। নিরীহ বেসামরিক মানুষ ও লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনো হামলার নিন্দা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এ সময় চলমান সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার বিষয়ে বেইজিংয়ের আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন ঝাই জুন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।