সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে নিহত হয়েছেন এক বাংলাদেশি। তবে ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও তার লাশ এখনো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গুলিবিদ্ধ লাশ ভারতের ভেতরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছে পরিবার।
নিহত সাদ্দাম হোসেন কানাইঘাট উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা। সীমান্তের চোরাই পথে ভারতের অভ্যন্তরে গিয়ে নিহত হন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন। এসময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা গুলি চালালে সাদ্দাম হোসেন নিহত হন ও তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া আহত হন।
পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের বাসিন্দা। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বকর ও জফির মিয়া। গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
সাদ্দাম হোসেনের বড়ভাই নাজীম উদ্দীন বলেন, “আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখানে খাসিয়ারা গুলি করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। চার দিন পার হয়ে গেলেও এখনো তার মরদেহ দেশে আনতে পারিনি।”
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, “নিহত সাদ্দামসহ কয়েকজন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যাওয়ার পর খাসিয়ারা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ভারতের অভ্যন্তরেই মারা যান সাদ্দাম। তার মরদেহ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারত। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জেনেছি।”
উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বলেন, “বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আলোচনার প্রক্রিয়া চলমান।”

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে নিহত হয়েছেন এক বাংলাদেশি। তবে ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও তার লাশ এখনো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গুলিবিদ্ধ লাশ ভারতের ভেতরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছে পরিবার।
নিহত সাদ্দাম হোসেন কানাইঘাট উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা। সীমান্তের চোরাই পথে ভারতের অভ্যন্তরে গিয়ে নিহত হন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন। এসময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা গুলি চালালে সাদ্দাম হোসেন নিহত হন ও তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া আহত হন।
পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের বাসিন্দা। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বকর ও জফির মিয়া। গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
সাদ্দাম হোসেনের বড়ভাই নাজীম উদ্দীন বলেন, “আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখানে খাসিয়ারা গুলি করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। চার দিন পার হয়ে গেলেও এখনো তার মরদেহ দেশে আনতে পারিনি।”
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, “নিহত সাদ্দামসহ কয়েকজন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যাওয়ার পর খাসিয়ারা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ভারতের অভ্যন্তরেই মারা যান সাদ্দাম। তার মরদেহ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারত। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জেনেছি।”
উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বলেন, “বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আলোচনার প্রক্রিয়া চলমান।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।