চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেন্দ্রীয় কারাগারের এক অসুস্থ হাজতির মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত হাজতির নাম বাবুল। তার হাজতি নম্বর ৩৬২৭০/২৫। বাবার নাম মৃত রওশন আলী। তবে তিনি কোন মামলায় বন্দী ছিলেন সে তথ্য জানা যায়নি।
কারারক্ষী মো. শাহরিয়ার জানান, দুপুরের দিকে বাবুল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢামেকে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেন্দ্রীয় কারাগারের এক অসুস্থ হাজতির মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত হাজতির নাম বাবুল। তার হাজতি নম্বর ৩৬২৭০/২৫। বাবার নাম মৃত রওশন আলী। তবে তিনি কোন মামলায় বন্দী ছিলেন সে তথ্য জানা যায়নি।
কারারক্ষী মো. শাহরিয়ার জানান, দুপুরের দিকে বাবুল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢামেকে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।