চরচা প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের টুঙ্গিপাড়ায় দুপুর পর্যন্ত ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম।
চরচাকে জহিরুল বলেন, দুপুর পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়াতে ২৬ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে। ভোটের আগে টুঙ্গিপাড়ায় সহিংসতার খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু সকালে ভোটের সময় এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। ভোটারদের উপস্থিতি দুপুর পর্যন্ত কম হলেও আশা করা যাচ্ছে বাড়বে। অন্তত ৪০ শতাংশ হবে।
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন।
টুঙ্গিপাড়া এবং কোটালিপাড়া উপজেলা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসন। শেখ হাসিনার পৈত্রিক বাড়ি সেখানে এবং তার পিতা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সেখানে অবস্থিত।
সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সবসময় নৌকা মার্কা বিজয়ী হয়েছে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের টুঙ্গিপাড়ায় দুপুর পর্যন্ত ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম।
চরচাকে জহিরুল বলেন, দুপুর পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়াতে ২৬ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে। ভোটের আগে টুঙ্গিপাড়ায় সহিংসতার খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু সকালে ভোটের সময় এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। ভোটারদের উপস্থিতি দুপুর পর্যন্ত কম হলেও আশা করা যাচ্ছে বাড়বে। অন্তত ৪০ শতাংশ হবে।
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসন থেকে এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তার পতন হয়। ওই অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন।
টুঙ্গিপাড়া এবং কোটালিপাড়া উপজেলা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসন। শেখ হাসিনার পৈত্রিক বাড়ি সেখানে এবং তার পিতা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সেখানে অবস্থিত।
সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সবসময় নৌকা মার্কা বিজয়ী হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।