চবি প্রতিনিধি

বাঁশের সঙ্গে ধারালো লোহার রড বেঁধে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে বন্য শূকর শিকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বাঁশের সঙ্গে ধারালো লোহার রড বেঁধে একটি বন্য শূকরের ওপর আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। পরবর্তীতে, শিক্ষার্থীরা আহত শূকরটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।
নিরাপত্তা প্রহরী শ্যামল বড়ুয়া বলেন, “রাতে আলাওল হলের সামনে হলের বিপরীত দিকের পাহাড়ি এলাকায় কলাবাগানের দিক থেকে হইচইয়ের শব্দ শুনি। সেখানে গিয়ে কাউকে দেখতে না পেলেও পরে একটি বন্য শূকরের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমি নিরাপত্তা দপ্তরের সুপারভাইজারকে জানাই।”
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সুপারভাইজার রেজাউল করিম বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশের মাথায় ধনুকের মতো করে বাঁধা একটি ধারালো লোহার রড উদ্ধার করি। সম্ভবত, অস্ত্রটি দিয়েই শূকরটিকে আঘাত করা হয়েছে।”
ঘটনাটি সম্পর্কে জানার পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে টহল দল পাঠানো হয়। শিকারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পাহাড়ি পরিবেশে হওয়ায় খাবারের খোঁজে সন্ধ্যার পর প্রায়ই বন্য শূকরের দল ক্যাম্পাসে দেখা যায়।
ক্যাম্পাসে হরিণ শিকারের অভিযোগে ২০০৯ সালে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এনামুল হককে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী বন্য শূকর সংরক্ষিত প্রজাতি।

বাঁশের সঙ্গে ধারালো লোহার রড বেঁধে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে বন্য শূকর শিকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বাঁশের সঙ্গে ধারালো লোহার রড বেঁধে একটি বন্য শূকরের ওপর আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। পরবর্তীতে, শিক্ষার্থীরা আহত শূকরটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।
নিরাপত্তা প্রহরী শ্যামল বড়ুয়া বলেন, “রাতে আলাওল হলের সামনে হলের বিপরীত দিকের পাহাড়ি এলাকায় কলাবাগানের দিক থেকে হইচইয়ের শব্দ শুনি। সেখানে গিয়ে কাউকে দেখতে না পেলেও পরে একটি বন্য শূকরের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আমি নিরাপত্তা দপ্তরের সুপারভাইজারকে জানাই।”
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের সুপারভাইজার রেজাউল করিম বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশের মাথায় ধনুকের মতো করে বাঁধা একটি ধারালো লোহার রড উদ্ধার করি। সম্ভবত, অস্ত্রটি দিয়েই শূকরটিকে আঘাত করা হয়েছে।”
ঘটনাটি সম্পর্কে জানার পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে টহল দল পাঠানো হয়। শিকারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পাহাড়ি পরিবেশে হওয়ায় খাবারের খোঁজে সন্ধ্যার পর প্রায়ই বন্য শূকরের দল ক্যাম্পাসে দেখা যায়।
ক্যাম্পাসে হরিণ শিকারের অভিযোগে ২০০৯ সালে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এনামুল হককে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী বন্য শূকর সংরক্ষিত প্রজাতি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।